কুয়েতঃ  মারণ করোনাতে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। মারণ এই ভাইরাস থেকে কবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রত্যেকদিন গোটা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। ঘটছে মৃত্যু। একদিকে যখন করোনা নিয়ে ক্রমশ চিন্তার কালো মেঘ সেই সময় চিন্তা বাড়াচ্ছে জায়ান্ট হর্নেট ভিমরুল।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মধ্যে কুয়েতের মানুষের কাছে রীতিমত নতুন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এশিয়ান জায়ান্ট হর্নেট ভিমরুল। এরই মধ্যে ভয়ঙ্কর এই ভিমরুলের বেশ কিছু ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। আর ভয়ঙ্কর প্রজাতির এই ভিমরুল মৌ মাছি চাষের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালো ও কমলা রঙ এর মিশ্রণের ডোরা কাটা জায়ান্ট হর্নেট ৫ সেন্টিমিটারের বেশি লম্বা,সঙ্গে রয়েছে হুল।

এরা প্রচণ্ড আক্রমণাত্বক। জানাচ্ছেন প্রাণী বিশেষজ্ঞরা। ওয়াশিংটনের স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক বলছেন, এই হর্নেট মানুষের জীবনের জন্য হুমকি। এর জের ধরেই সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

এই জাতের ভিমরুলের মূল লক্ষ্য থাকে মৌমাছি। মৌমাছি মূলত এই জাতের ভিমরুলের প্রধান খাবার। এদের প্রচন্ড শক্তিশালী চোয়াল রয়েছে। ফলে এরা যখন ঝাঁক বেঁধে কোনো মৌচাকে আক্রমণ করে তখন প্রায় সব মৌমাছিকেই মেরে ফেলে। এমনকি মৌমাছির লার্ভাকেও এরা খেয়ে ফেলে।

ফলে মৌচাষ ও ফুল চাষের বড় ধরণের ক্ষতি করে এই ভিমরুলগুলো। পূর্ব দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বনে জায়ান্ট হর্নেটের দেখা মেলে। পোকামাকড় খেয়েই তারা বেচে থাকে। পতঙ্গ আক্রমণের সময় নিউরোটক্সিন নামের এক ধরণের বিষ নির্গত করে জায়ান্ট হর্নেট। এর বিষাক্ত কামড়ে সাধারণ মানুষের মৃত্যুও পর্যন্ত হতে পারে।

এমনকি এর বিষ মৌমাছির তুলনায় সাত গুণ বেশি বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। গরমের শেষের দিকে মূলত এই ভিন্ন প্রজাতির ভিমরুলের দেখা মেলে। সেই মতো কুয়েতে রীতিমত ছেয়ে গিয়েছে এই ধরণের ভয়ঙ্কর হর্নেট। যা সেখানকার মানুষের একেবারে ঘুম কেড়ে নিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ