কলকাতা: আবারো বিনোদন জগতে কোভিড হানা। ঋতব্রত মুখার্জি,জিৎ, শুভশ্রী গাঙ্গুলী,কৌশিক কৌশিক গাঙ্গুলির পর এবার কোভিড আক্রান্ত দর্শকদের প্রিয় রানীমা। অর্থাৎ আপনাদের সবার প্রিয় দিতিপ্রিয়া রায়। এই মুহূর্তে বাংলা টেলিভিশন জগতের সব থেকে জনপ্রিয় মুখ দিতিপ্রিয়া রায়। প্রকাশ্যে অভিনেত্রী এ নিয়ে কথা না বললেও, সংবাদমাধ্যম যোগাযোগ করার পর, অভিনেত্রী জানিয়েছেন কোভিড আক্রান্ত হওয়ার খবর সত্যি।

সম্ভবত, দিতিপ্রিয়ার বাবাই প্রথম কোভিড পজিটিভ হন, দু-দিন জ্বরে ভোগেন অভিনেত্রীর মা। পরে করোনা পরীক্ষা করালে, তিনজনেরই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে রাণীমার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি এবং তাঁর মা-বাবা দুজনেই আপাতত সুস্থ এবং শারীরিক ভাবে স্টেবল রয়েছেন। কিন্তু এর মধ্যেও সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের পারিবারিক বন্ধনের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। দিতিপ্রিয়া বলেছেন, তাঁর তেমন কোনো শারীরিক উপসর্গ নেই সর্দি কাশি এবং কিছুটা দুর্বলতা ছাড়া।

আপাতত নিভৃতাবাসে রয়েছেন অভিনেত্রী। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো সমস্ত রকম মেডিকেল সর্তকতা এবং বিধিনিষেধ মেনে চলছেন তিনি। তবে অভিনেত্রী এও জানিয়েছেন তিনি আপাতত অনেকটাই সুস্থ। তার ভক্তদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেছেন চিন্তার কোন কারণ নেই।

অন্যদিকে দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করোনার নতুন সংক্রমণ ৩ লক্ষ পেরোল। মৃত্যু ২৭০০-র বেশি। মোট মৃত্যু পৌঁছে গিয়েছে দু’লক্ষের দোড়গোড়ায়।স্বাস্থ্যের পরিকাঠামো ভেঙে পড়ছে তাসের ঘরের মতো। কোথাও নেই পর্যাপ্ত বেড তো কোথাও নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার। এরকম পরিস্থিতিতে পুনরায় লকডাউন ঘোষণা হতে পারে সারা ভারত জুড়ে এই আশঙ্কা করছে অনেকেই। ইতিমধ্যেই মুম্বাইতে নাইট কারফিউ এবং তারপরে লকডাউন জারি করা হয়েছে। দৈনিক রেকর্ড সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে বেসামাল অবস্থা হয়ে পড়েছে রাজ্যগুলোর।

অবশ্য এই রকম পরিস্থিতিতে এগিয়ে এসেছে টলিউডের বহু পরিচালক তথা অভিনেতা অভিনেত্রীরা। কেউ তথ্য দিচ্ছেন কোথায় হাসপাতালের বেড পাওয়া যাচ্ছে তো কেউ তথ্য দিচ্ছেন কোন হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে। এই মুহুর্তের পরিস্থিতিতে আমি বা আপনি কেউ একা নন। এখন উচিত সবাই মিলে মেরুদন্ড শক্ত করে একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.