ফাইল ছবি

কলকাতা : অষ্টমীর দিনে তাঁদের দুজনের প্রথম দেখা হয়েছিল। আর প্রথম দেখাতেই বিয়ে সারল দুই যুগল। তাঁদের এ কাহিনী হার মানায় বলিউড সিনেমাকেও। প্রথম চোখে চোখ রাখা থেকে একেবারে ছাদনাতলা!

হুগলির হিন্দমোটরের সুদীপ ও শেওড়াফুলির প্রীতমার ফেসবুকে আলাপ পুজোর মাস তিনেক আগে থেকে। তাঁরা ঠিক করেছিল অষ্টমীর দিন দেখা করবে দুজনে। সেই মতো, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এক মণ্ডপে দেখা হয় দুজনের।

তাঁরা দুজনের কেউই হয়তো ভাবতে পারেননি, এক দেখাতেই তাঁরা পৌঁছাবেন ছাদনাতলায়। কিন্তু প্রেম কবে আর হিসেব মেনে হয়েছে ? এক্ষেত্রেও হল না। মুখোমুখি দেখা হওয়ার পর তাঁরা দুজন মিলে কিছু কথার পর ঠিক করে ফেলেন বিয়ে যখন করবেনই তবে আর দেরি কেন?

যেমন ভাবা তেমন কাজ। তিলোত্তমার বুকে পুজোর মায়াবী আলোয় হাঁটতে হাঁটতে তাঁরা প্ল্যান করে ফেললেন বিয়ের। প্ল্যানমাফিক হেঁটে তাঁরা পৌঁছায় হিন্দমোটরে। সেখানেই এক পুজো মণ্ডপে গিয়ে প্রীতমার সিঁথিতে সিঁদুর পড়িয়ে দেন সুদীপ।

অদ্ভুত ভাবে তাঁদের এই বিয়ে মেনে নেন, তাঁদের বাড়ির লোকেরাও। সবাইকে অবাক করে বউমাকে মেনে নিয়েছেন সুদীপের বাড়ির লোকেরাও। আর জামাইকেও পছন্দ করেছেন মেয়ের বাড়ির থেকে। ফলে মধুরেণ সমাপয়েৎ হয়েছে। সবাইকে চমকে দিয়ে ফেসবুকের থেকে প্রথম দেখাতেই মালা বদল করেছে যুগল।

উল্লেখ্য, চারিদিকে ধরণার প্রেম-এর মাঝে এদের এই সম্পর্ক এবং তার মধ্যেই এই হঠকারি সিদ্ধান্ত বিয়ে সকলকে অবাক করেছে। কিন্তু সব শেষে এই মধুরেণ সমাপয়েত কেমন সফলতা পায় সেটাই এক্ষণ দেখার।