হংকং: ভারতের সমস্ত যাত্রীবাহী বিমানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল হংকং। সোমবার মধ্যরাত থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে এবং পরবর্তী ১৪ দিন অর্থাৎ ২ মে পর্যন্ত তা বহাল থাকবে। ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত বলে জনিয়েছে সে দেশের সরকার।

মূলত ভারতে ছড়িয়ে পরা করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টের ভয়ে ১৪ দিনের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হংকং। পাশাপাশি পাকিস্তান ও ফিলিপাইনেকে করোনা ভাইরাসের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সে কারণে এই তিন দেশ থেকে যেসব যাত্রীরা রবিবার রাতে ২ ঘণ্টার মধ্যে হংকংগামী ফ্লাইটে ওঠার জন্য অপেক্ষা করছিলেন তাদের ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।

চলতি মাসে ভিসতারা ফ্লাইট-এ করে আগত ৫০ জন যাত্রীর মধ্যে দুজন করোনা আক্রান্ত ছিল। নিয়ম অনুসারে, হংকং পরিদর্শনে আসা সমস্ত যাত্রীর বিমানে ওঠার ৭২ঘন্টা আগে করোনা টেস্ট করাতে হবে। রিপোর্ট নেগেটিভ হলে তবেই সেদেশে প্রবেশ করতে পারবে।

হংকংয়ের প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী সাতদিনের মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে যেকোনো ফ্লাইটে আসা পাঁচ কিংবা তার অধিক ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হলে সেই দেশের সকল ফ্লাইট ১৪ দিনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে।

রবিবার হংকং সরকার মুম্বই-হংকং রুটে সমস্ত ভিসতারা ফ্লাইট ২ মে পর্যন্ত স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভিসতারা মুম্বই-হংকং ফ্লাইটে তিন যাত্রী করোনা পজিটিভ আসার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অপরদিকে ৪ এপ্রিল দিল্লি-হংকং ফ্লাইটে করে যাওয়া ৪ যাত্রীর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তারপর ৬ এপ্রিল থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দিল্লি-হংকং রুটে ভিস্তারার ফ্লাইটগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

হংকং সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন সম্প্রতি তাদের কমিউনিটিতে করোনার নতুন রূপে আক্রান্ত একজন ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন। সে কারণে দেশ ও জনগনের স্বার্থে সরকার নতুন নিয়ম ও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে বাধ্য হয়েছে।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৬১ হাজার ৫০০ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫০১ জনের। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত ভারতে ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ১০৯ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.