হংকং: এই মুহূর্তে ভারত সহ একাধিক দেশে করোনা আতঙ্ক ক্রমেই চেপে বসছে। প্রায় প্রতিদিনই এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। আর এবারে এই ভাইরাস নিয়ে সামনে এল এক অদ্ভুত তথ্য।

এক প্রাণী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, হংকংয়ের করোনাভাইরাস আক্রান্ত এক রোগীর থেকে তাঁর পোষা কুকুরটিও এই ভাইরাসের শিকার হয়েছে। যদিও তারা আগেই এই বিষয়টি সতর্ক করে দিয়েছিল। মানুষ থেকে কোনও প্রানীতে এই ভাইরাস আক্রমনের ঘটনা এই প্রথম।

হংকংয়ের কৃষি, মৎস্য ও সংরক্ষণ বিভাগ জানিয়েছে, কুকুরটির শরীর যথেষ্ট দুর্বল। যার ফলে ভাইরাস আক্রমণের শঙ্কা আরও জোরালো করে তুলছে। নাক এবং মুখের মাধ্যমে এই ভাইরাস কুকুরটির শরীরে ঢুকেছে।

কুকুরটিকে পর্যবেক্ষণের জন্য আইসলেশন বিভাগে রাখা হয়েছে এবং বারবার তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল নেতিবাচক না হওয়া পর্যন্ত কুকুরটিকে আরও পরীক্ষা করা হবে। আর ততদিন পর্যন্ত বিশেষ জায়গাতে রাখা হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত মানুষ থেকে এই ভাইরাসের প্রানীকে আক্রমণ করার বিষয়ে কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

হংকংয়ের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা কুকুরের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে চিন্তিত। তবে সকলেই একমত যে কুকুরের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশ কম। আরও একটি কুকুরকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। যদিও সেই কুকুরটিকেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

হংকংয়ে করোনভাইরাসের আক্রমণের ১০৩ টি ঘটনা এখনও পর্যন্ত সামনে এসেছে। এই ভাইরাস আক্রমণের জেরে রাস্তাঘাট ক্রমেই শূন্য হয়ে গিয়েছে। এছাড়া অনেক অফিস এবং স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।