জয়পুর: সেনাবাহিনীর জওয়ানদের হানিট্র্যাপে ফেলে তথ্য আদায় করা কোনও নতুন ঘটনা নয়। একাধিকবার পাকিস্তানের পাতা এই ফাঁদে পা দিয়েছে জওয়ানেরা। এবার ফের একবার সেই একই ঘটনার শিকার হল আরও এক ভারতীয় জওয়ান।

সোমবীর নামে ওই জওয়ানকে শনিবার গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ওই জওয়ান বেশ কিছু গোপন ছবি পাঠিয়ে দিয়েছে পাকিস্তানি এজেন্টকে। জম্মুর বাসিন্দা ছাত্রী বলেই তার সঙ্গে পরিচয় করেছিল ওই এজেন্ট।

জানা গিয়েছে ওই জওয়ানকে ফাঁদে ফেলার জন্য পাঠানো হত নানা ধরনের অন্তরঙ্গ মেসেজ। এইভাবেই আলাপ জমে উঠেছিল। এরপরই ওই জওয়ান একের পর এক ছবি পাঠায় ওই এজেন্টকে। ভারতীয় সেনার ট্যাংক, অস্ত্র এমকি আর্মি কোম্পানির অবস্থানের ছবিও পাঠানো হয়েছে। তাঁর কিছু কাজকর্মে সন্দেহ হওয়াতেই শুরু হয় তদন্ত। আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

শুধু তথ্য পাঠানোই নয়, তার বদলে টাকাও পেতেন সোমবীর। কিছুদিন আগেই হাজার পাঁচেক টাকা জমা হয় তাঁর ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে। এরপর নাকি দ্বিতীয়বার টাকাও চাইতে শুরু করেন সোমবীর। প্রথমবারের টাকাটা ট্রান্সফার করিয়ে নেন ই-ওয়ালেটে।

প্রতীকী ছবি

সাত মাস আগে ফেসবুকে শুরু হয় আলাপ। অনিকা চোপড়া নামে একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকে পাঠানো হয় রিকোয়েস্ট। সেক্স চ্যাটও হয় দু’জনের মধ্যে। এরপরই গোপন তথ্য চাওয়া শুরু হয়। তদন্তকারীদের অনুমান অনিকা চোপড়া নামের অ্যাকাউন্টটি আসলে অপারেট করা হয় পাকিস্তানের করাচি থেকে। ধৃতের মোবাইলও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.