প্রতীকী ছবি

নাগপুর: সেলুনের আড়ালেই বেশ কয়েক বছর ধরে রমরমিয়ে চলছিল দেহ ব্যবসা৷ এমন কি এই সেলুনে ছিল ম্যাসাজ পার্লারও৷ আর এই ম্যাসাজ পার্লারে কাজ করলেই রাতারাতি ধনী হয়ে যাচ্ছিল মহিলারা৷ কারণ এই পার্লারে কাজ করলেই দেওয়া হত মোটা রকমের বেতন৷

গোপন সুত্রে এই ম্যাসাজ পার্লারের হদিশ পায় নাগপুর পুলিশের সোশ্যাল সার্ভিস ব্রাঞ্চের কর্তারা৷ এই পার্লারের হদিশ পেয়ে হঠাৎ হানা দিয়ে পার্লারের মালিক কে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ ধৃতের নাম সমির রাজু বাহানে৷ চলতি মাসে নাগপুর পুলিশ এই পার্লারে ক্ষদ্দের সেজে যায়৷ তাদের সামনে এই পার্লারের মালিক কয়েক জন মহিলাকে পেশ করে৷ তার পরেই পুলিশ অভিযুক্ত কে হাতেনাতে গ্রেফতার করে৷

পার্লারের মালিক কে গ্রেফতার করলেও এখনও এই চক্রের সঙ্গে জড়িৎ এক মহিলার খোঁজ করছে পুলিশ৷ সঙ্গিতা গজবিহে নামে এই মহিলা এই পার্লারে মহিলা পাচার করত বলে জানতে পারে পুলিশ৷ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত এই মহিলা পলাতক বলে জানান পুলিশ কর্তারা৷ এমনকি এখানে বেশ কিছু মহিলা কে জোড় করে আঁটকে রেখে দেহ ব্যবসায় নামানো হয় বলেও জানতে পারেন তদন্তকারিরা৷ এমন তিন মহিলা কে পার্লার থেকে উদ্ধার করে পুলিশ৷

এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ কর্তারা জানতে পারেন সমির এবং সঙ্গিতা এই পার্লারটা কে ভাড়া দিয়ে দেহ ব্যবসা চালাত৷ শুধু তাই নয় এই মহিলাদের পার্লারে মোটা টাকাও দেওয়া হত৷ নিয়মিত ক্ষদ্দেরদের এই পার্লারে যাতায়াত ছিল৷ অনেক দিন ধরেই তারা এই দেহ ব্যবসা চালাচ্ছিল বলে জানতে পারে পুলিশ৷ পুলিশ কর্তারা এই দুজন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ দায়ের করেছে৷

পাশাপাশি পলাতক সঙ্গিতার খোঁজ শুরু করেছেন তদন্তকারিরা৷ যে তিনটি মেয়েদের পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে তাদের জিজ্ঞাশাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে এই মহিলাদের কাজ দেওয়ার নাম করে ডাকা হয়েছে৷ তার পরেই এদের জৌড় করে আটকে রাখে এই দেহ ব্যবসায়ীরা৷ এই আগেও একাধীক মহিলা কে এই পার্লারে দেহ ব্যবসার উদ্দেশ্যে পাচার করা হয়েছে বলে জানতে পারে পুলিশ৷

বিগত কয়েক বছরে নাগপুরের বিভিন্ন এলাকায় দেহ ব্যবসার রমরমা বেরেছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারিরা৷ পুলিশের তল্লাশী অভিযানো জোড় কদমে চালানো হচ্ছে নাগপুর এলাকা জুড়ে৷ এতিমধ্যেই একাধীক মধুচক্রের হদিশ পেতে সফল হয়েছেন গোয়েন্দারা৷ বেশ কয়েকজন কে দেহ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ৷