কোচবিহার: জনবহুল এলাকায় একটি বাড়িতে রমরমিয়ে চলত দেহব্যবসার কারবার। ব্যাপার প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্তদের উত্তম মধ্যম প্রহার দিল স্থানীয় মানুষ। কোচবিহার শহর সংলগ্ন মহিষবাথানের ডুমুরতলার এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ, বেশ কিছুদিন ধরেই অপরিচিত কিছু যুবক যুবতীর আনাগোনা বেড়েছিল ওই বাড়িতে। এতেই সন্দেহ বাড়ে স্থানীয় মানুষের। এরই মধ্যে সোমবার সকালে বাড়ির মধ্যে থেকে এক যুবতীর পরিত্রাহি চিৎকার শুনতে পান স্থানীয় মানুষ। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই উত্তেজিত হয়ে পড়ে জনতা। অভিযোগ ক্ষিপ্ত জনতা ওই বাড়ির এক মহিলাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ ওই মহিলার পাশাপাশি আরও দুই যুবতিকে আটক করেছে।

যে যুবতীর চিৎকার শুনতে পাওয়া গিয়েছিল, স্থানীয় মানুষেরা তাঁকে উদ্ধারের পর সে জানায়, তাঁকে কাপড়ের দোকানে কাজ করার কথা বলে নিয়ে আসা হয়েছে ওই এলাকায়। যুবতীর অভিযোগ, তাঁকে জোর করে দেহ ব্যাবসার কাজে নামতে বাধ্য করা হয়। এমনকি তাঁকে হাত, পা বেঁধে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ।

ঘটনার পর থেকেই বাড়ির মালিকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য মাত্র দিন কয়েক আগেই মুম্বইতে পর্দাফাঁস হয়েছিল দেহব্যবসার। বাণিজ্য নগরীতে সভ্য পোশাকের আড়ালে চলা ওই দেহ ব্যবসায় হানা দিয়ে এক অভিনেত্রীকেও গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সেই রেশ কাটতে না-কাটতেই এবার বাংলাতেই ফাঁস হল দেহ ব্যবসার কারবার ফাঁস করল পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ