ফাইল ছবি।

পুরুলিয়া: পাখির চোখ বিধানসভা ভোট। আদিবাসী মন পেতে তৎপর তুঙ্গে। বুধবার পুরুলিয়া থেকে জঙ্গলমহলের উন্নয়নে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে জোর দিলেন অযোধ্যা পাহাড়ের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে। অযোধ্যায় হোম টুরিজম চালু করা হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

পাখির চোখ বিধানসভা ভোট। গত লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহলে ভালো ফল করেছে গেরুয়া শবির। আদিবাসী ভোটব্যাঙ্কে অনেকটাই থাবা বসিয়েছে গেরুয়া শিবির। বাঁকুড়া থেকে শুরু করে পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলে এখন হামেশাই উড়তে দেখা যাচ্ছে গেরুয়া পতাকা।

আদিবাসী ভোটব্যাঙ্কে ধ্বস নামা তৃণমূলের কাছে এখন অন্যতম উদ্বেগের কারণ। যেভাবেই আদিবাসী সমাজে হারানো জমি ফিরে পেতে মরিয়া তৃণমূল। গতকাল হুটমুড়া স্কুল মাঠে সভা করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদ্যোপান্ত সেই রাজনৈতিক সভায় তুলোধনা করেছেন বিরোধীদের।

আজ পুরুলিয়া থেকেই একগুচ্ছ প্রকল্পের উন্নয়ন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে উদ্বোধন হল বহরমপুরে নতুন বাস টার্মিনাসের। উদ্বোধন হল সবংয়ে দমকল কেন্দ্রের। এরই পাশাপাশি আদিবাসীদের মনের আরও কাছে পৌঁছে যেতে তাঁদের জন্য একাধিক পরিকল্পনার কথা এদিন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘গত ৯ বছরে জঙ্গলমহলে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। পুরুলিয়ায় সার্কিট টুরিজম করা হবে। তাহলে আয় বাড়বে এখানকার বাসিন্দাদের।’’ এক্ষেত্রে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের প্রসঙ্গ টেনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘অযোধ্যা পাহাড়ে পর্যটন শিল্পের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

অযোধ্যায় হোম টুরিজম চালু হলে এলাকার আদিবাসী পরিবারগুলির আয় বাড়বে। আদিবাসীদের বাড়িতে মানুষ থাকতে পছন্দ করেন। অযোধ্যা পাহাড়ে হোম টুরিজম হলে আয় বাড়বে স্থানীয়দের।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।