দাঁত আমাদের শরীরের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমরা খুশি বা আনন্দিত হলে যেমন দাঁতের মাধ্যমে আমাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে থাকি, তেমনই খাবার খাওয়ার সময় দাঁতের ব্যবহার করে থাকি। দাঁতের জগৎ সম্পূর্ণ আলাদা, তাই দাঁতের কোনো সমস্যা হলে সাধারণ চিকিৎসকরা দাঁতের চিকিৎসা করতে পারেন না, দাঁতের সমস্যার জন্য রয়েছেন দাঁতের চিকিৎসক।

দাঁতে ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। এই সময় প্রদাহ ও ব্যথা অনুভূত হয়। দাঁতে ব্যথার অনেক কারণ থাকতে পারে ক্যাভিটি, দাঁতের এনামেল ক্ষয় বা ইনফেকশন। দাঁতের ব্যথা হলে খাবার খেতে সমস্যা হওয়ার পাশাপাশি ঘুমের সমস্যাও হয়। ঘরোয়া কিছু টোটকা ব্যবহার করে আপনি সাময়িক ভাবে দাঁতে ব্যথা থেকে নিস্তার পেতে পারেন। যদি ৩-৪ দিন ধরে আপনার ব্যথা চলতে থাকে তবে অবশ্যই ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আসুন দাঁতে ব্যথার চটজলদি সমাধানে ঘরোয়া টোটকা গুলো দেখে নেওয়া যাক

রসুন: ভারতীয় দের কাছে রসুন খুবই পরিচিত একটি বস্তু। দাঁতে ব্যথার উপসমে রসুন ব্যবহৃত হয়। রসুনে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল পদার্থ থাকে যা ব্যাকটেরিয়া মারার পাশাপাশি ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। রসুনের চা বা রসুনের কোয়া চিবিয়ে খেতে পারেন।

লবঙ্গ: বহুকাল ধরে লবঙ্গ দাঁতে ব্যথা কমাতে ব্যবহার করা হয়। ব্যথা কমানোর পাশাপাশি প্রদাহ কমাতে লবঙ্গ উপকারী।

নুন জল: দাঁতের সমস্যা সমাধানে নুন জল ব্যবহার করা হয়। গরম জলে কিছুটা নুন দিয়ে সেটা দিয়ে মুখ ধুলে উপকার পেতে পারেন।

কোল্ড কমপ্রেস: ব্যথার উপসম কোল্ড কমপ্রেস ব্যবহার হয়। একটি কাপড়ে কিছু বরফ দিয়ে ব্যথার জায়গায় দিলে ব্যথা কমে।

পিপারমিন্ট: লবঙ্গের মত পিপারমিন্ট প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ব্যথার জায়গায় পিপারমিন্ট তেল ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়

এই সব টোটকা ব্যাবহার করার পরে যদি দাঁতে ব্যাথার উপশম লাঘব না হয় তবে অবহেলা করা উচিত নয়। দীর্ঘ দিন ধরে দাঁতে ব্যথা হলে ডেন্টিস্ট দেখিয়ে নেওয়া দরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.