মশা এবং মশার কামড় দুই আমাদের নিত্য সঙ্গী। আর এই দুটিই আমাদের বিরক্তির কারণও বটে। ভারতের মত গ্রীষ্ম প্রধান দেশে মশার উপদ্রপ সাংঘাতিক। তবে বাড়িতে মশা তাড়ানোর জন্যে মর্টিন থেকে শুরু করে ইলেকট্রিক ব্যাট কিংবা রাস্তা ঘাটের জন্যে বিভিন্ন মশকুইটো রেপিলেন্ট ক্রিম থাকলেও মশার কামড়কে আমরা সাধারণত সেভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকি না। মশার কামড়ের ফলে সেই জায়গাটি লাল হয়ে ফুলে যায় এবং চুলকানি শুরু হয়।

জানেন কি মশা কামড়ের ফলে আমাদের ত্বক কেন চুলকায়?

মশা হুল ফুটিয়ে কেবল আমাদের রক্ত শোষে তাই না, সঙ্গে তাদের স্যালাইভা আমদের শরীরে প্রবেশ করে। মশার স্যালিইভাতে রয়েছে অ্যান্টিকোগিউলেন্ট উপাদান যা আমাদের শরীরে রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না। এর ফলে মশা সহজেই রক্ত শুষতে পারে। এই স্যালিইভাতে কিছু প্রোটিন থাকে যা আমাদের শরীররে কাছে অজানা। এই বহিরাগত অজানা প্রোটিনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ উপাদান গুলি হিস্টামিনের ক্ষরণ বাড়ায়। আর এই বাড়তি ক্ষরণের ফলেই কামড় খাওয়া স্থানে চুলকানি হয়।

মশার কামড় খাওয়া স্থানে বার বার চুলকাতে থাকলে জ্বালা ভাব দেখা দেয়। অনেক সময় কেটে গিয়ে সামান্য রক্ত ক্ষরণ হয়। তাই মশার কামড়ে চুলকানোর পরিবর্তে, তা সারিয়ে তলার চেষ্টা করুন। জেনে নিন ঘর‍োয়া উপায় মশার কামড়ের চুলকানি থেকে কিভাবে মুক্তি মিলবে।

মধু ব্যবহার করুনঃ মশার কামড় সারিয়ে তুলতে মধু অত্যন্ত কার্যকরী। মধুতে রয়েছে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল গুনাগুণ যা শুধু মশার কামড় নয় বিভিন্ন ঘা সারিয়ে তুলতেও উপযোগী। মশার কামরে মধু লাগালে ফোলা ভাব এবং চুলকানি দুই কমবে। তবে বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় তা ব্যবহার করবেন না।

অ্যালভেরা জেলঃ বাজার থেকে কিনে হোক কিংবা বাড়িতে করা অ্যালভেরা গাছ থেকে জেল বের করে মশা কামড়ের স্থানে লাগান। এই জেল ঠাণ্ডা হওায়ায় জ্বালা ভাব কমায়।

তুলসী পাতাঃ তুলসী পাতা ত্বকের চুলকানি কমাতে ভীষণই কার্যকরী। গাছ থেকে সরাসরি পাতা পেড়ে নিয়ে তা কামড়ানোর স্থানে লাগাতে পারেন। অথবা এক কাপ জলে কিছু শুকনো বা সতেজ তুলসী পাতা দিয়ে একটি মিশ্রণ বানিয়ে সেটিও লাগাতে পারেন।

রসুন ব্যবহার করুনঃ রসুন থেঁত করে সামান্য নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে তা কামড়ানো জায়গায় লাগান। জ্বলন কমাতে বা ঘা সারাতে এটি সহায়ক। সরাসরি রসুন ব্যবহার করবেন না।

টি ব্যাগঃ টি ব্যাগে রয়েছে অ্যান্টি সোয়েলিংয়ের গুণ। তাই ব্যবহৃত টি ব্যাগ ফেলে না দিয়ে তা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুণ। তারপর সেই ঠাণ্ডা টি ব্যাগ কামড়ের উপর লাগান। আরাম মিলবে।

নিম পেস্টঃ কয়েকটি নিম পাতা পেস্ট করে তা কামড়ের উপর লাগান। নিম পাতার স্প্রে মশাকে দূরে রাখে এবং নিম পাতা পেস্ট মশা কোমরের জ্বলানি দূর করে।

মনে রাখবেন শরীরে অতি মাত্রায় ঘাম, দুর্গন্ধ মশাকে বেশি আকৃষ্ট করে। তাই এই এই ধরণের জিনিস এড়িয়ে চলুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.