নয়াদিল্লি: কালো টাকা ফেরত আসেনি। নির্বাচন কাছে আসতেই সেই প্রশ্ন বারবার তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানাল, ব্ল্যাক লিস্ট তৈরি করে ফেলেছে সরকার। যারা বিদেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের তালিকা প্রস্তুত।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভারতীয় বংশোদ্ভুত যেসব ব্যক্তি শাস্তির ভয়ে বিদেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে তাদের ব্ল্যাক লিস্ট তৈর করে ফেলেছে কেন্দ্র। এদের মধ্যে বেশির ভাগই শিখ বলে জানিয়েছেন তিনি।

জানা গিয়েছে ভিসা না মেলার অজুহাতে বিদেশে আশ্রয় নিয়েছিল তারা। কিন্তু এবার তাদের ভিসা দেবে ভারত সরকার। দেওয়া হবে কনস্যুলার সার্ভিসও।

গত বছরের শেষেই কালো টাকা ইস্যুতে ভারতের দাবি মেনে নেয় সুইজারল্যান্ড। ভারতের দাবি মতো দুই সংস্থা এবং তার সঙ্গে যুক্ত তিনজনের বিষয়ে ভারতকে তথ্য দিতে রাজি হয়েছে সুইজারল্যান্ড। বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘সেবি’ নথিভুক্ত সংস্থা দু’টি হল জিওডেসিক লিমিটেড এবং আধি এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেড। অন্যদিকে, অভিযুক্ত তিন ব্যক্তি হলেন, জিওডেসিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত পঙ্কজকুমার ওঙ্কার শ্রীবাস্তব, প্রশান্ত শারদ মুলেকর এবং কিরণ কুলকার্নি।

দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে ভারতকে তথ্য দিতে নারাজ ছিল সুইজারল্যান্ড। অবশেষে কালো টাকা ইস্যুতে বড়সড় জয় মোদী সরকারের। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

উল্লেখ্য, একাধিক অনিয়মের অভিযোগে জিওডেসিক ও আধি এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দেশের তন্তকারী সংস্থাগুলি। সেইমতো সুইজারল্যান্ডে গচ্ছিত তাদের সম্পত্তি সম্পর্কে সেদেশের কাছ থেকে তথ্য চেয়েছিল ভারত। শুধু তাই নয়, তিন ব্যাক্তির সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নয়াদিল্লিকে দিতে রাজি বার্ন প্রশাসন। এই সম্মতি নিয়ে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করে সুইজারল্যান্ড। তবে, প্রশাসনিক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হলেও ভারতের পক্ষ থেকে ঠিক কী কী তথ্য চাওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে কিছুই জানায়নি সুইজারল্যান্ড।