ফাইল ছবি

কোচি: অবশেষে কেরলের বন্যা পরিস্থিতি যে ভয়ানক তা স্বীকার করল কেন্দ্র৷ ‘জাতীয় বিপর্যয়’-অর তকমা না পেলেও ‘calamity of severe nature’ বা ‘গুরুতর প্রাকৃতিক বিপর্যয়’ ঘোষণা করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷ মন্ত্রক সূত্রে ঘোষণা, চলতি বন্যা পরিস্থিতির উপর নজর দিয়ে কেরলের পরিস্থিতিকে গুরুতর বিপর্যয় ঘোষণা করা হচ্ছে৷

১০০ বছরে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ে ‘ভগবানের দেশ’৷ আপাতত বন্যা বিপর্যস্ত কেরলের চিত্রটা হল-
– আগামী ৪ দিনে কোঝিকর, কান্নুর, ইদ্দুকি ছাড়া কেরলে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম

-প্রায় ৯ লাখ বানভাসি মানুষ ত্রাণ শিবিরে ঠাঁই নিয়েছেন

-কেরলের বিপর্যস্ত অঞ্চলে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে ইন্ডিগো বিমান সংস্থার বিশেষ কয়েকটি বিমান লাগাদার তিরুঅনন্তপুরম-কোচি যাতায়াত করছে৷ ২৪ ঘণ্টা টানা এই বিমানগুলি পরিষেবা দিচ্ছে৷ ৩১ অগাস্ট পর্যস্ত একইভাবে পরিষেবা দিয়ে যাবে বলে জানা যাচ্ছে৷

পড়ুন: কেরলে আটকে পড়া শ্রমিকদের জন্য মুর্শিদাবাদে কন্ট্রোল রুম

– ওনাম সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে কেরল ঘোষিত সমস্ত সরকারি ছুটি তুলে নেওয়া হয়েছে৷ সরকারি কর্মচারীদের সমস্ত ছুটি বাতিল হয়েছে৷ একমাত্র ২৫ অগাস্ট থিরুভনাম দিবসে ছুটি পাবেন কর্মীরা৷ প্রত্যেকটি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সকাল ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে৷

-এরনাকুলাম,থিরুভাল, ইদুক্কি সহ বিভিন্ন বিপর্যস্ত এলাকায় বিশেষ মেডিক্যাল ক্যাম্প ভারতীয় সেনার
-গত ২ দিনে এরাকুলাম থেকে ৫০ হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে৷

মারণ বন্যা কেড়ে নিয়েছে অন্তত ৩৫০ মানুষের প্রাণ৷ প্রায় ১০ লাখ মানুষ গৃহহীন, দিনে দিনে বাড়ছে ত্রাণ শিবিরের সংখ্যা৷ আপাতত ৫ হাজারের বেশি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে কেরলে৷ বানভাসিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে মন্দির,গীর্জার দরজা৷ প্রায় ২ লাখ মানুষ বিভিন্ন মন্দির মসজিদে আশ্রয় নিয়েছেন৷ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবি সংস্থার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছে