দেশে করোনার আতঙ্কে এখন মানুষ যেভাবেই থাকুক বাড়িতে থাকছে সুরক্ষিত থাকছে। তবে নিজের সঙ্গে আশেপাশের জায়গায় পরিষ্কার রাখাটা দরকার। সেই কথা চিন্তা করেই এই করোনা আতঙ্কের পর থেকেই ঘর জীবাণুমুক্ত করার বিষয়ে মানুষের সচেতনতা বেড়েছে ভীষণভাবে।

স্বাভাবিকভাবে বাজারের নামীদামি ফিনাইল বা জীবাণুনাশক ব্যবহার করে থাকেন অনেকেই। কিন্তু এই সব রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েও সহজেই করা যায় ঘর পরিষ্কারের কাজ। সেগুলি অনেকেই জানেন না। এখানে দেওয়া হলো সেই সহজ টিপসগুলি। নিজের সুস্থতার সঙ্গে বাড়ি পরিষ্কার রাখাটাও খুব জরুরি এটাও এখন অনেকেই জেনে ফেলেছেন। তাই দেরি না করে পড়ে নিন ও দেখে ফেলুন সেই উপায়গুলি।

১. লেবুর রস: করোনা আতঙ্কের পর থেকে অনেকেই সকালে গরম জল ও তার মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে শুরু করেছেন। কিন্তু এর পাশাপাশি লেবুর আর একটি অন্য গুণও আছে। লেবুর রস জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায় এটা কি জানতেন আগে? তাছাড়া লেবু দিয়ে পরিষ্কার করলে তা অনেক বেশি ও অনেক তাড়াতাড়ি উজ্জ্বল হয়।

আরো পোস্ট- সপ্তাহের শেষদিনে কী বলছে কার ভাগ্য

২. সাদা ভিনিগার: এই উপাদানটি অ্যাসিড হিসেবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। এছাড়া জীবাণুনাশক হিসেবেও এর ব্যবহার করা যেতে পারে এটাও জেনে রাখুন। এ ছাড়াও চটচটে ময়লা সহজেই তুলে ফেলতে পারে ভিনিগার।

৩. বাষ্প: ঘরে জলীয় বাষ্প তৈরি করা গেলেও, তার কারণে জীবাণুর উৎপাত কমে যেতে পারে এটাও জানতেন কি? অনেকেই এই পদ্ধতিতে ঘরকে জীবাণুমুক্ত করে থাকেন স্বাভাবিকভাবেই।

৪. ভদকা: শুনতে অবাক মনে হলেও এটাও একটা উপায়। যে কোনো ধরণের জীবাণু পরিষ্কার করতে ভদকার জুড়ি মেলা ভার। এতে প্রায় ৪০ শতাংশ ঘনত্বের অ্যালকোহল রয়েছে মজুদ। ফলে জীবাণু তো বটেই খুব কড়া দাগও নাকি মুছে ফেলতে পারে এটি। এমনকি কভারের কাপড়ের পুরনো বোটকা গন্ধও সহজেই দূর করতে পারে ভদকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.