লস এঞ্জেলস: সারা বিশ্ব করোনার থাবায় স্তব্ধ। একই অবস্থা বিনোদন জগতেরও। বন্ধ ক্যামেরা, লাইট অফ, সাউন্ড নিঃশব্দ। হলিউড যেন তেন প্রকারেণ চাইছে করোনা সময়কালের মধ্যেও সিনেমা ও টিভি শো শুরু করতে। তবে হলিউডের একটি ক্ষেত্র এই মুহূর্তে করোনা মোকাবিলায় অন্যদের থেকে এগিয়ে।

১৯৯০ সালে এইচ আই ভি বা এইডস-এর সময় লস অ্যাঞ্জেলসে নীল ছবির ইন্ডাস্ট্রি তাঁদের অভিনেতাদের এর থেকে বাঁচাতে নিজস্ব পরীক্ষা ব্যবস্থা এবং ডাটাবেস নিয়ে এসেছিল।

করোনা মহামারির মধ্যে সেই সিস্টেমকেই এখনও ব্যবহার করছে নীলছবির ইন্ডাস্ট্রি। ফলে অ্যাডল্টদের জন্য তাঁদের বিনোদন তৈরি হয়ে চলেছে।

মাইক স্ট্যাবিল নামে ফ্রি স্পিচ কোয়ালিশনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, “যখন আমরা প্রথম কোভিড ১৯-এর কথা বলা শুরু করলাম, তখন থেকেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম। কারণ আমাদের শিল্পে অতীতেও টেস্টিং-এর ইতিহাস রয়েছে, যখন সবকিছু বন্ধ ছিল। “

পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, “এটা একেবারে অন্য একটা ভাইরাস। এটার হামলার ধরণও ভিন্ন। তবে সাধারন ভাবে এর থেকে কী কী উপায়ে বাচা যায়, বাঁচতে কী কী করা দরকার, তা সাধারণ ভাবে বুঝতে পেরেছিলাম।”

১৯৯০ এর দশকের শেষদিকে একজন নীলছবির অভিনেতা এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার পরে ও সহ অভিনেতাদের অনেকের মধ্যে সেই রোগ ছড়িয়ে দেওয়ার প[অরে নীলছবির দুনিয়ায় এই প্রোটোকল বানানো হয়।

নীল ছবির তারকা শ্যারন মিচেল, যিনি বর্তমানে চিকিত্সক, তিনি একটি সিস্টেম তৈরি করেছেন যা পাস নামে পরিচিত। যেখানে নীল ছবির অভিনেতাদের প্রতি ১৪ দিন অন্তর পরীক্ষা করা হয় ও সেই পরীক্ষার রেজাল্ট একটি ডেটাবেসে তুলে নেওয়া হয়। সেই ডেটাবেসই পরে ছবি নির্মাতা ও রিচালকদের জানিয়ে দেয় কোন অভিনেতারা কাজের জন্য তৈরি।

স্ট্যাবিল বলেছেন, করোনাভাইরাস খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে। এটা আরও অনেক বেশি জটিল সমস্যা। তিনি বলেছেন, নীল ছবি, হলিউড, খেলাধুলা এসবের কাছেই এই চ্যালেঞ্জ একেক ধরনের। তবে বাস্তবে আমাদের প্রত্যেকের কাছে একে অপরের কাছ থেকে শিখে নিতে পারার মত কিছু রয়েছে।”

হলিউড মুভি স্টুডিওগুলি, টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলি এবং অভিনেতা, অভিনেত্রী থেকে মেকআপ শিল্পী, ক্যামেরা ক্রু সকলেই ভেবে চলেছেন সব দিক রক্ষা করে কীভাবে আবার কাজ শুরু করা যায়।

আপাতত স্থির হয়েছে বিভিন্ন সেটগুলিতে নিয়মিত পরীক্ষা চালানো। প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর সমস্ত লোকেদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা ইত্যাদি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।