নিউইয়র্ক- করোনা কেড়ে নিলো আরো এক হলিউড অভিনেতার প্রাণ। হলিউড ছবি ‘এলিয়েন’-এর অভিনেতা জে বেনেডিক্ট করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন৷ মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮। করোণার সঙ্গে লড়াই শেষ করে গত ৪ এপ্রিল শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অভিনেতার মৃত্যুতে হলিউড মহলে শোকের ছায়া তৈরি হয়েছে।

মেহু তারকাই এই মৃত্যুর খবরে শোক প্রকাশ করেছেন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই জন্মদিন ছিল এই হলি অভিনেতার। কিন্তু সেই দিন অবধি আর অপেক্ষা করলেন না তিনি। জন্মদিন নিয়ে বহু প্লান ছিল তার স্ত্রী ও মেয়ের। কিন্তু সেসব আর হলো না। যে বেনেডিক্ট এর ত্রি বলছেন এভাবে যে করোনা তাকে শেষ করে ফেলবে তা তারা কল্পনাও করেননি। সম্প্রতি, করোনায় অভিনেত্রী লি ফিয়েরো করোনায় আক্রান্ত হন।

অবশেষে প্রাণঘাতী ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই শেষ করে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে অভিনেত্রীর বয়স হয়েছিল ৯১। মার্কিন পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গের ছবি জস-এ মিসেস কিন্টনার-এর ভূমিকায় অভিনয় করে জনপ্রিয় হন তিনি। আগে তিনি ম্যাসাচুয়েটসে থাকতেন। কিন্তু পরে সেখান থেকে ওহিও-তে চলে আসেন। লি ফিয়েরোর মৃত্যুর পর শোকের ছায়া নেম এসেছে হলিউডে।

প্রসঙ্গত, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় মার্কিন অভিনেত্রী জুলি বেনেটেরও। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। জুলি বেনেট যোগি বিয়ার কার্টুনে ভয়েস ওভার শিল্পী হিসেবও জনপ্রিয় ছিলেন। এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত গায়ক অ্যাডাম শ্লেসিনজার। তিনিও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫২।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।