কলকাতা : ছাদ থেকে এক ঝাঁপে দেব পৌঁছে গেলেন ‘হইচই’র দুনিয়ায়৷ আর সঙ্গে নিয়ে গেলেন নিজের ফ্যান ফোলোয়িংকে৷ ইদের দিনে ভক্তদের উপহার দিলেন ‘হইচই আনলিমিটেড’র টিজার৷ অ্যাকশন, রোম্যান্স, বিনোদন, কমেডি, ড্রামা, ইমোশন, ভালবাসা সবকিছু মশলা রয়েছে দেবের ‘হইচই আনলিমিটেড’এ৷ এমনকি রয়েছে কনফিউশনও৷ কী নিয়ে কনফিউশন সেটা মুক্তির দিনই প্রকাশ পাবে৷ এক মিনিট তেরো সেকেন্ডের ট্রেলারে কোনও এলিমেন্টের অভাব রাখেননি দেব৷ টিজারে রয়েছে পাওয়ার-প্যাকড আটেম নম্বরের ঝলকও৷

টিজারে ক্রমশ বাড়ছে ভিউজের সংখ্যা৷ কমেন্ট সেকশন ভরছে প্রশংসায়৷ ১২ অক্টোবর মুক্তি পেতে চলেছে ‘দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেনচারস’র এই নতুন ছবি৷ রম-কমের ভরপুর এই ছবি নিয়ে সিনেপ্রেমীদের উত্তেজনা তুঙ্গে৷ দেবের এই পোস্টের পর উত্তেজনা আরও কয়েক ধাপ বেড়ে গিয়েছে৷ একের পর এক নেটিজেনরা দ্রুতগতিতে শেয়ার করে চলেছেন সেই পোস্টার৷ দেব-ভক্তরা তো পুজোর সেই দিনটা বুক করে ফেলেছেন ‘হইচই আনলিমিটেড’র ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শোয়ের জন্য৷

চিত্রনাট্য অনুযায়ী এই ছবিতে এক বড় শিল্পপতির ঘরজামাই উত্তীয় (দেব)। তাঁর স্ত্রী (কৌশানি) সমসময় পুজোপাঠ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। যা উত্তীয়র জীবনের সব চেয়ে বড় সমস্যা। যেমন প্রোমোটার বিজনের (খরাজ) জীবন তাঁর দুই স্ত্রীকে নিয়ে সমস্যায় জর্জরিত। আসলে বিজনের দু’বউ। কনীনিকা বন্দোপাধ্যায় ও মানসী সিনহা। অথচ কেউ কারও কথা জানে না! তাই সারাক্ষণ বিজনের একটি ভয় কাজ করে, পাছে তাঁর এক বউ অন্য বউয়ের অস্তিতের কথা টের পেরে যায়।

অন্যদিকে অবিবাহিত হয়েও রিটায়ার্ড ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট অনিমেষ চাকলাদারের (শাশ্বত) জীবনে শান্তি নেই। কারণ সুদীপ্তা চক্রবর্তী। সে এছবির গুন্ডা। এনি প্রায়ই অনিমেষকে হুমকি দেয় বাড়িটা তার নামে লিখে দেওয়ার জন্য। অন্যদিকে বউয়ের জন্য মনে শান্তি নেই গ্যারাজ মেকানিক আজমল খানের (অর্ণ)। কারণ অভিনত্রী হতে চাওয়া তার বউ (রোজা পারমিতা) মনে করে, এই কালিঝুলি মাখা মানুষটি তার বর হওয়ার যোগ্য নয়।

সুতরাং কারও মনেই শান্তি নেই। তাই শান্তির খোঁজে তারা সবাই উজবেকিস্তানে ঘুরতে যায়। সেখানে গিয়ে তাদের একে-অপরের সঙ্গে আলাপ হয়। এই সরফে তাদের গাইড ললিতা ঝুরঝুরোস্কির (পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়)। বিদেশে ঘুরতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তৈরি হয় এমন সমস্যা, যা রীতিমতো হইচই বাধিয়ে দেয় তাদের জীবনে। সেটা কী? উত্তর মিলবে ছবির পর্দায়। আগাগোড়া মজার ছবি ‘হইচই অ্যানলিমিটেড’। তবে জানা গিয়েছে, কমেডির মধ্যেও এই ছবিতে রয়েছে প্লেন হাইজ্যাক ও তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসার মতো সিরিয়াস বিষয়বস্তুও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।