বেজিং:  এইচআইভি এবং এইডস সংক্রমণ ক্রমশ বাড়ছে লালচিনে। এমনটাই ভয়াবহ রিপোর্ট উঠে এসেছে। এভাবে এইডস এবং এইচআইভি সংক্রমণ হওয়া রোগীর সংখ্যা এভাবে বাড়তে থাকায় মাথায় বাজ ভেঙে পড়েছে চিনা স্বাস্থ্য দফতরের।

সম্প্রতি চিনা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সে দেশে এইচআইচভি ও এইডস আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। এর মধ্যে ২০১৮ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকেই নয়া ৪০ হাজার আক্রান্তকে চিহ্নিত করতে পেরেছে চিন প্রশাসন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে লালচিনে এইচআইভি ও এইডস আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লক্ষ ২০ হাজার। যা কিনা যথেষ্ট চিন্তার কারণ হিসাবেই মনে করা হচ্ছে।

এত দিন পর্যন্ত জানা ছিল যে সংক্রমিত রক্ত দেহে প্রবেশই চিনে এইচআইভি সংক্রমণের প্রধান কারণ। কিন্তু সম্প্রতি রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

জানা গিয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় সংক্রমণ হওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার পরেও কী ভাবে এই বৃদ্ধি?

স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দাবি, চিনা সমকামী সম্প্রদায়ের মধ্যে অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কের জেরেই ছড়িয়ে পড়ছে এইচআইভি ও এইডস।

চিনে সমকামিতা আইনত অপরাধ না হলেও অনেকেই এখনও গ্রহণ করতে পারেন না সমকামীদের। সামাজিক চাপে বহু পুরুষই নারীকে বিয়ে করেন। এ সব ক্ষেত্রে অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কের জেরেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে বলে দাবি স্বাস্থ্যঅধিকর্তাদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।