মানুষের জন্মলগ্ন থেকেই সে ষড়রিপু দ্বারা চালিত হচ্ছে। তবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোক্ষলাভ সম্ভব, এমনটাই বলে শাস্ত্র। শাস্ত্র এই বিধান লিখেছে স্বয়ং দেব-দেবীদের ত্যাগকে লক্ষ্য করে। যুগে যুগে নানা অবতারে নানাভাবে দেখা দিয়েছেন দেব-দেবীরা। শিক্ষা একটাই যে কীভাবে নিজের স্বার্থ ভুলে অন্যের জন্যে কিছু করার কথা ভাবা যায়। এমন শিক্ষা একটি মন্দির থেকেও পাই আমরা। মন্দিরটি ভারতীয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের কাছে ।রীতিমতো যেন স্বর্গ।

অমরনাথ মন্দিরের নাম জানেন না এমন ভারতীয় গুণলেও পাওয়া যাবে না। ভারতের একেবারে উত্তরে জম্মু কাশ্মীরে অবস্থিত এই গুহার মধ্যে বসেই দীর্ঘদিন ধ্যানে নিমজ্জিত ছিলেন মহাদেব। এর চারিদিকে পাহাড় দিয়ে ঘেরা। গ্রীষ্মকালে খুব কম সময়ের জন্যই এখানে যাওয়া যায় কারণ সম্পূর্ণভাবেই আবৃত থাকে বরফে। তবে সেই রাস্তা মোটেও সহজ নয়। কিন্তু মানুষের বিশ্বাসের বলে তারা সাহস ও শক্তি সঞ্চয় করে এই গুহায় আসে আত্মার শান্তি ও শুদ্ধিকরণের জন্যে। তবে এই গুহার ভেতরে থাকা বরফানি বাবা কী শিক্ষা দিয়েছিলেন মানবজাতিকে?

অমরনাথের গুহার ভেতর জল চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়তে থাকে। সেই জল ধীরে ধীরে জমে জমে শিবলিঙ্গের মতো রূপ নেয়। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সমস্ত মানুষ জীবনে একবার হলেও সেখানে গিয়ে দর্শনের ইচ্ছা রাখেন। বিভিন্ন পৌরাণিক ইতিহাস, মানুষের কিছু সাধারন বিশ্বাস একটি সাধারণ গুহাকে করে তুলেছে পবিত্র।

আরো পোস্ট- নবরাত্রি ২০২১: অষ্টমীতে গৌরীর পুজো, জানুন বিধি

প্রচলিত আছে, বহুকাল আগে ভৃণ্ডমুনি সেখা অমরনাথ বা শিবকে দেখতে পান সেই গুহায়। তারপর থেকেই অমরনাথে দলে দলে লক্ষ লক্ষ মানুষ যেতে থাকেন। কথিত রয়েছে যে শিব পার্বতীকে অমরত্ব শিক্ষা প্রদানের জন্য কৈলাস পর্বত ত্যাগ করে এই গুহায় নিয়ে আসেন। পথে শিব তার যাবতীয় অধিকৃত সম্পদ একে একে ত্যাগ করেন।

তাঁর ষাঁড় নন্দিকে পহেলগাঁওয়ে রেখে আসেন, তার মাথার শীর্ষে থাকা চন্দ্রকে ত্যাগ করেন চন্দনওয়াড়িতে, গলার সাপ খুলে তা শেষনাগ হৃদে ত্যাগ করে দেন, পুত্র গণেশকে মহাগণেশ পর্বতে রেখে আসেন। এছাড়া বায়ু, অগ্নি, জল এবং মৃত্তিকাকে তিনি পঞ্জতর্ণীতে ত্যাগ করেন। এভাবেই যুগ যুগ ধরে তিনি আমাদের চরম ত্যাগের নিদর্শন দিয়ে চলেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.