নিউ ইয়র্ক: এক ঐতিহাসিক চুক্তি হয়ে গেল ইজরায়েল ও সংযুক্র আরব আমিরশাহীর মধ্যে। সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজি হল দুই দেশ।

বিবিসি সূত্রে খবর, এই বিষয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও আবুধাবির যুবরাজ মহম্মদ আল নাহিয়ান। বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয়, ‘এই ঐতিহাসিক চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিপ্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাবে’। যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী আমেরিকা যে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে কৌশলগত অ্যাজেন্ডা তৈরি করছে তাতে এই দুই দেশকে যুক্ত করা হবে। বিবৃতিতে নেতারা বলেন, তাঁদের আঞ্চলিক হুমকি ও সুযোগ একই ধরনের।

উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর কারও সঙ্গেই ইজরায়েলের কূটনৈতিক কোনও সম্পর্ক নেই। যদিও ইরানের আঞ্চলিক প্রভাবের বিষয়টি মাথায় রেখে প্রায় সবাই ইজরায়েলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ রেখেছে।

ট্রাম্পের ওই ঘোষণার পর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও টুইট করেছেন, লিখেছেন ‘ঐতিহাসিক দিন’।
ইউএইর দূত ইউসুফ আল ওতাইবা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটা কূটনীতির জন্য জয়, এই অঞ্চলের জয়’। তিনি বলেন, আরব-ইজরায়েল সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি যা আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাবে এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের পক্ষে শক্তি জোগাবে।’

ইজরায়েলের সঙ্গে কোনও আরব দেশের এই চুক্তি ১৯৪৮ সালে দেশটির স্বাধীনতা ঘোষণার পর মাত্র তৃতীয় ঘটনা। এর আগে ইজরায়েলের সঙ্গে ১৯৭৯ সালে মিশর ও ১৯৯৪ সালে জর্ডান চুক্তি করেছিল।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ইজরায়েল ও ইউএইর চুক্তির ধারাবাহিকতায় আগামী সপ্তাহগুলোতে এই দুই দেশের প্রতিনিধিরা বিনিয়োগ, পর্যটন, সরাসরি ফ্লাইট, নিরাপত্তা, টেলিযোগাযোগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি, পরিবেশ এবং পারস্পরিক দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করার জন্য বৈঠকে বসবেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও