যোধপুর: সদ্য পা রেখেছেন গেরুযা শিবিরে৷ আর এরইমধ্যে শনিবার রোড শো করে ফেললেন এই বলিউডি অভিনেতা৷ তাকে দেখতে ভিড় উপচে পড়ল রাজস্থানের বারমেরে৷

সাদা টি শার্ট এবং একটি ক্যাপ পরে হাজির হলেন জনগণের মাঝে৷ সেই নির্বাচনী ভিড়ই যেন সানির উপস্থিতিতে ফিল্মি হয়ে উঠল কিছুটা৷ প্রচারের মাঝেই ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা গেল গদরে সানির বিখ্যাত ডায়লগ, ‘হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ থা, হ্যায় অউর রহেগা’৷

উল্লেখ্য, গুরুদাসপুরে বিজেপির হয়ে এবার লড়ছেন সানি দেওল৷ এই আসনেই একসময় লড়ে জয়ী হয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেতা বিনোদ খান্না৷ গত ২৩ এপ্রিল বিজেপিতে যোগ দেন সানি৷ আর এরইমধ্যে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দ সিং তাঁকে ফিল্মি ফৌজি বলে কটাক্ষও করেছেন৷ শুক্রবার গুরুদাসপুরে তিনি বলেন, ‘সানি দেওল হলেন একজন ফিল্মি ফৌজি, আর আমি হলাম রিয়েল ফৌজি৷’

পর্দার ফৌজি আর বাস্তব জীবনে ফৌজির মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক৷ সেই ফারাকটাই বিজেপি প্রার্থীকে বুঝিয়ে দেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং৷ কটাক্ষের সুরে জানান, সানি দেওল তো ফিল্মি ফৌজি৷ ‘বর্ডার’ ছবিতে তিনি পঞ্জাব রেজিমেন্টের এক জওয়ানের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ঠিকই৷ কিন্তু তার মানে এই নয় তিনি আসল ফৌজি হয়ে গিয়েছেন৷ পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে আসল ফৌজি বলে তুলে ধরেন৷ প্রসঙ্গত, ১৯৬০ সালে ভারতীয় সেনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী৷ তাঁর পুরো নাম ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং৷ সানি দেওলকে ‘বুড়ো অভিনেতা’ বলেও কটাক্ষ করেন৷ জানান, তাঁর অভিনয় কেরিয়ার শেষ৷ তাই রাজনীতিতে এসেছেন৷

প্রসঙ্গত, ঘায়েল, বর্ডার ও গদর এক প্রেম কথার মতো ছবিতে অভিনয় করে অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন সানি দেওল৷ তিনি বলিউডের আরও এক জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর বড় ছেলে৷ উল্লেখ্য, সানির সৎ মা ও ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী বিজেপির বিদায়ী সাংসদ৷ গতবারের মতো এবারও হেমা উত্তরপ্রদেশের মথুরা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছেন৷