ছবি সৌজন্যে - টাইমস অফ ইন্ডিয়া

আগ্রা: বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে রাজধানীতে। রবিবার পুলিশি নিরাপত্তা থাকলেও সব মিলিয়ে শান্তই ছিল দিল্লি। কিন্তু এরই মধ্যে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর একটি পোষ্টার। আগ্রার আলিগড়ে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় একটি বাড়িতে পড়ল বাড়ি বিক্রির পোষ্টার। ইংরেজি সংবাদ মাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়া মারফৎ এ খবর প্রকাশ্যে এসেছে।

বাবরি মন্দির এলাকার একটি হিন্দু বাড়ির দেওয়ালে এই পোষ্টার দেখতে পাওয়া গিয়েছে। পোষ্টারে লেখা ছিল ‘ইয়ে ঘর বিকাউ হ্যে’ (এই বাড়ি বিক্রি আছে।) টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন জানাচ্ছে, এই এলাকার হিন্দু পরিবারদের বক্তব্য, তাঁরা তাঁদের সম্পত্তি বিক্রি করে ‘নিরাপদ’ এলাকা’য় যেতে চান।

সংবাদমাধ্যমকে নেহা আগরওয়াল বলেন, বাবরি মন্দির এলাকা হিন্দুদের জন্য নিরাপদ নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই এলাকায় থাকা অসম্ভব বলে দাবি করে তিনি বলেন, শহরের যে কোনও অংশে যখন এমন অশান্তির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখনই এই মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

দ্বারকা প্রসাদ নামে আর এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা চাই এবং তাই আমাদের সম্পত্তি বেচে অন্যত্র চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

সারদা দেবী নামে এক মহিলা জানিয়েছেন, রবিবার যখন বেশ কয়েকজন লোক পুলিশের হাত থেকে দৌড়ে পালাচ্ছিল, তখ কয়েকজন তাঁর গায়ে এসে পড়ে এবং মাটিতে পড়ে গিয়ে তিনি আহত হন। তিনি বলেন, “এই এলাকায় এই ধরনের অশান্তি নতুন কিছু নয়, কিন্তু এখন ওরা হিংসাত্মক হয়ে উঠেছে। যা এখানকার শান্তিপ্রিয় মানুষদের কাছে খুবই বিপজ্জনক। “

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।