ঢাকা: বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিধবারা স্বামীর কৃষি জমির ভাগ পাবেন। হাইকোর্ট রায় দিয়েছে। এই রায় একদিক থেকে যুগান্তকারী বলেই চিহ্নিত। বাংলাদেশের জনসংখ্যায় হিন্দুরা সংখ্যালঘু। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

ঢাকার আইনজীবীরা বলেছেন, হিন্দু বিধবা সম্পত্তি আইনে স্বামীর বসতভিটাতেই শুধু অধিকার দেয়া হয়েছিল। এখন হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষাপটে হিন্দু বিধবা নারীদের স্বামীর সব সম্পত্তিতে অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারি নারীরা বলেছেন, এখন বৈষ্যমের বেড়াজাল থেকে বেরোনো সম্ভব হতে পারে।

বিবিসি জানাচ্ছে, খুলনায় গৌরীদাসী নামের একজন বিধবা স্বামীর কৃষিজমি অধিকারের দাবি করেছিলেন। বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন তার দেওর জ্যোতিন্দ্রনাথ মণ্ডল। বিধবারা স্বামীর কৃষিজমির ভাগ পাবেন না-এই দাবিতেই ১৯৯৬ সালে খুলনার আদালতে মামলা উঠেছিল।

খুলনার জজ আদালতের রায়ে হিন্দু বিধবাদের স্বামীর কৃষিজমিতে অধিকার দেওয়া হয়েছিল।রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয় বুধবার হিন্দু বিধবা নারীদের স্বামীর কৃষিজমিতে ভাগ পাওয়ার পক্ষেই রায় দিয়েছে হাইকোর্ট।

ডেপুটি এটর্নী জেনারেল শাহ মো: আশরাফুল হক বলেন, এই রায়ে হিন্দু বিধবা নারীদের স্বামীর সব সম্পত্তিতেই অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলো। ইতিহাসের সাল তারিখ অনুসারে ৮৩ বছর আগে ১৯৩৭ সালের হিন্দু বিধবা সম্পত্তি আইনে স্বামীর বসত ভিটাতেই শুধু বিধবা নারীদের অধিকার ছিল।

তবে অবিভক্ত ভারত থেকে বাংলাদেশ তৈরির পরেও আইনটি একইরকম থাকে হাইকোর্টের রায়ে এসেছে স্বস্তি। বাংলাদেশের নারী আন্দোলনকারীরা বলেছেন, আদালতে এই রায় দিয়েছে। কিন্তু তা আইনে রুপ দিতে হবে। এখন সরকার সেই পদক্ষেপ নেবে সেটাই তাদের আশা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।