মু্ম্বই : মাদার্স ডে-র সেলিব্রিশনে গোটা দুনিয়া মেতেছিল মায়েদের নিয়ে৷ মাতৃস্নেহে ঢুবেছিল এদিন সোশ্যাল মিডিয়া। মায়ের সঙ্গে ছবি আর ভালোবাসার ক্যাপশনে ভেসেছিল নেট-দুনিয়া। এদিন বন্ধু-বান্ধবীর পোস্ট ছাড়াও নেটিজেনের নজর ছিল সেলেব্রিটিদের প্রোফাইলে৷ সেখান থেকেই বাঁধল গোল৷ হিনা খানের পোস্টে চোখ যেতেই হেসে গড়ালেন সাইবারবাসী৷

এদিন আর পাঁচজন তারকাদের মতো তিনিও তাঁর মায়ের সঙ্গে কয়েকটি ছবি আপলোড করেন৷ এপর্যন্ত সব ঠিক ছিল, কিন্তু ট্যুইটের ক্যাপশনে বাঁধল যতও গন্ডোগোল। যেখানে লেখা লেখা “#samsungRefridgetor”৷ মায়ের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে, মাতৃদিবস পালন করে, হ্যাশট্যাগ দিলেন কিনা স্যামসাং রেফ্রিজেরেটরকে? ব্যস! শুরু ট্রোলিংয়ের বৃষ্টি৷

আরও পড়ুন: চবণপ্রাস মাখা ঠোঁটে এবার পুষ্টিকর ভালোবাসার ব্যারিকেড

“একটা দিন সাধারণভাবে নিজের মাকে উইশ করতে গেলেও তোমায় অন্যকিছুর সাহায্য নিতে হয়৷ নিজের কাছের মানুষদের ভালোবাসতে গেলেও তোমায় বিজ্ঞাপন দিতে হচ্ছে৷ তুমি বারবার প্রমাণ করছো তুমি কতটা ফেক৷” এমন নানা মন্তব্যের তীরে বিঁধছেন অভিনেত্রী হিনা খান৷

তবে অভিনেত্রীর স্যামসাংকে ট্যাগ করার পেছনে কারণ ছিল ‘স্যামসাং মাদার্স ডে ক্যাম্পেন’৷ এই ইভেন্টটি হিনা তাঁর মায়ের সঙ্গে অ্যাটেন্ড করতে গিয়েছিলেন৷ সেখানে ছবি তুলে পোস্ট করে এই হ্যাশট্যাগটি দিয়েছিলেন তিনি৷ তবে ব্যাপারটা সাইবার ইউজারদের মোটেও পছন্দ হয়নি৷ কোন কিছুর বিজ্ঞাপন না দিয়েও তিনি তাঁর মাকে ইউশ করতে পারতেন৷ এমনই বক্তব্য সকলে৷

আরও পড়ুন: বানী কাপুরের প্রেমে মশগুল ডাকাত সর্দার

প্রসঙ্গত, আজ পর্যন্ত হিনা খানকে যতবার ট্রোল করা হয়েছে, প্রতিক্রিয়ায় কড়রা জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী৷ এমনকি তাঁর বয়ফ্রেন্ড রকিও, হিনাকে সাপোর্ট করে ট্রোলগুলির জবাব দেন৷ কিন্তু এইবারে দু’জনের মধ্যে কেউই রিঅ্যাক্ট করলেন না৷ তাহলে কী মাতৃদিবসে ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন দিয়ে সত্যি লজ্জিত হিনা? আপাতত এমনটাই ইশারা করছে তাঁর হাবভাব৷

Mom, I don’t know if I could make it through the long days and sleepless nights without you. Thank you for being my pillar of support. #SamsungRefrigerator #MomsLoveNonStop @Samsung_IN pic.twitter.com/rxPJesHoXr

— HINA KHAN (@eyehinakhan) May 13, 2018

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।