মুম্বই: এক সময়ে সম্পর্কে ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী নেহা কক্কর ও অভিনেতা হিমাংশ কোহলি। সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। বিচ্ছেদ সামলে উঠতে বেশ খানিকটা সময় লাগে নেহার। একাধিকবার ক্যামেরার সামনেও ভেঙে পড়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় হিংমাশের সঙ্গে ব্রেক আপ নিয়েও লিখেছেন। কিন্তু উলটো দিকে হিমাংশ এই বিষয়ে কোনও রকম মন্তব্য করেননি।

বিচ্ছেদের এক বছর পরে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সামনে হিমাংশ বলেন, এক বছর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে কোনওদিন ইচ্ছে হয়নি।

হিমাংশ আরও বলেন, যা হওয়ার হয়েছে। আমি তো আর তা বদলাতে পারব না। আমি এখনও নেহাকে শ্রদ্ধা করি এবং ওর জন্য শুভকামনা করি। খারাপ সময়ে আমরা পরস্পরকে অশ্রদ্ধা করি না। ও অসাধারণ শিল্পী এবং দারুণ মানুষ। আমি চাই ও জীবনে যা চায়, তাই যেন পায়। ও সুস্থ থাকুক।

বন্ধুত্ব থেকে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয় নেহা ও হিমাংশের। গত বছর সেপ্টেম্বরে তাঁরা সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেন। ডিসেম্বরে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। তবে পেশার জায়গায় একসঙ্গে কাজ করতে রাজি হিমাংশ।

এই প্রশঙ্গে অভিনেতা বলেন, হ্যাঁ কাজ তো করতেই পারি। কাজে কেন না বলব। আমাদের কাছে ভাল কাজের প্রস্তাব এলে, পেশাদার হিসেবে আমি ওর সঙ্গে নিশ্চয়ই কাজ করব। আমাদের ও হামসফর গানটি খুবই হিট করেছিল। এখনও মানুষ গানটা পছন্দ করে। তাই ভাল কাজের অফার পেলে নিশ্চয়ই নেহার সঙ্গে কাজ করব।

নেহার সঙ্গে থাকাকালীন, ভাল ও খারাপ দুই স্মৃতিই রয়েছে। কিন্তু হিমাংশ খারাপটা বাদ দিয়ে শুধু ভালটাই মনে রাখতে চান। সম্পর্কের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে হিমাংশ বলেন, এই মুহূর্তে আমার সত্যিই ভালোবাসার জন্য সময় নেই। এখন আমার কাজ করে যাওয়া উচিত বলে মনে হয়। কেরিয়ারেই আমি ফোকাস করছি। আমার কাছে ভাল কাজের অফার এলে আমি এখন সেটাতেই মনোনিবেশ করব।

প্রসঙ্গত, ২০১৪-য় প্রথম বড় পর্দায় কাজ করেন হিমাংশ। বারিশ ছবিতে কাজ করেছিলেন তিনি। এই মুহূর্তে তিনি একটি ওয়েব শো-এ কাজ করছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.