শিমলা: আগামী ছ’ মাসের মধ্যে দেশে গোহত্যা নিষিদ্ধ করতে হবে৷ কেন্দ্রীয় সরকারকে এমনই নির্দেশ দিল হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্ট৷ পাশাপাশি ছ’মাসের মধ্যে গোরু কেনা-বেচা, গোমাংস বা গোমাংস থেকে তৈরি খাবার বিক্রি নিষিদ্ধ করার নির্দেশও জারি করেছে উচ্চ আদালত৷

শুক্রবার এই রায় ঘোষণার সময় কেন্দ্রের দাবি খারিজ করে বিচারপতি বলেন, গো হত্যা বন্ধের বিষয়টি রাজ্য সরকারের এক্তিয়ারে পড়ে৷তাই রাজ্য সরকারগুলিকেই সেই উদ্যোগ নিতে হবে৷আদালত আরও জানিয়েছে, গোরু শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ নয়৷ এই প্রাণীর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ধর্মীয় আবেগ৷

এদিন ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবর হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশের কথা তুলে ধরে বিচারপতি রাজীব শর্মা এবং বিচারপতি সুরেশ্বর ঠাকুরের বেঞ্চ জানায়, ‘‘গো-হত্যা নিষিদ্ধ করতে যথাযথ আইন প্রণয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিল৷ দেওয়া হয়েছিল৷ আদালত সেই নির্দেশই বহাল রাখছে৷ ছ’মাসের মধ্যে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে৷ এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আদালতের সেই নির্দেশের একটি কপি জাতীয় আইন কমিশনের কাছেও পাঠানো হচ্ছে৷’’

উল্লেখ্য, এই বিষয়ে হিন্দু সংগঠন ভারতীয় গোবংশ রক্ষণ সংবর্ধন পরিষদের দায়ের করা আবেদনের ভিত্তিতে শুক্রবার এই রায় দেয় হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্ট৷ ওই সংস্থার দায়ের করা আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘‘আমাদের দেশে গোরুর জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য, ওষুধ এবং রক্ষণাবেক্ষণের পরিকাঠামো নেই৷ এদেশে গোরু পরিত্যক্ত৷ হমেশাই বাইরেরে দেশে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে৷ সেখানে জবাই করা হচ্ছে গোরু৷ গো-রক্ষার্থে আধুনিক গোশালা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে৷’’

গোহত্যা নিয়ে এর আগে একাধিক ঘটনায় তোলপাড় হয়েছে দেশ৷গত বছর গোমাংস খাওয়ার অভিযোগে পিটিয়ে মারা হয়েছিল মহম্মদ আকলাখ নামে এক বৃদ্ধকে৷ এই ঘটনার পর গোটা দেশে সমালোচনার ঝড় ওঠে৷ কয়েকদিন আগে গুজরাতে উনায় গো-মাংস বিক্রি ও চামড়ার চোরাকারবার চালানোর অভিযোগে চার দলিত যুবককে বিবস্ত্র করে গাড়ির সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক পেটায় পাঁচ ‘গো-রক্ষাকারী’৷ এই ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ৷
প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় আসার পর কেয়কটি রাজ্য গো-মাংস নিষিদ্ধ করে বিজেপি সরকার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।