গুয়াহাটি: ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল আগেই। শুক্রবার সেইমতো অসমের ডেপুটি সুপারিন্টেন্ডেন্ট অফ পুলিশ পদে আসীন হলেন তারকা স্প্রিন্টার হিমা দাস। মুখ্যমন্ত্রী সর্বনন্দ সোনওয়ালের উপস্থিতিতে অসম পুলিশের ডেপুটি সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে পথ চলা শুরু হল ‘ঢিং এক্সপ্রেসে’র। ‘ছোটবেলার স্বপ্ন যেন সত্যি হল’, মুহূর্তটিকে এভাবেই বর্ণনা করেন হিমা।

এদিনের অনুষ্ঠানে দেশের তারকা স্প্রিন্টারের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বনন্দ সোনওয়াল। সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অসম পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল। ডিএসপি পদে বসে হিমা জানান, ‘এখানকার মানুষেরা সব জানেন তাই আজ আমি অন্য কোনও কথা বলব না। তবে স্কুলজীবন থেকে পুলিশ অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখে এসেছি। এমনকি আমার মায়েরও একই ইচ্ছে ছিল।’

হিমা বলেন, ‘আমার মা ছোটবেলায় দুর্গাপুজোর সময় আমায় বন্দুক (খেলনা) কিনে দিয়ে বড় হয়ে পুলিশ হওয়ার কথা বলত। মানুষের সেবা করে ভালো মানুষ হওয়ার কথা বলত।’ তবে রাজ্য পুলিশের উঁচু পদে বসে খেলাধুলা থেকে ফোকাস সরাচ্ছেন না হিমা। এশিয়াডে সোনাজয়ী স্প্রিন্টারের কথায়, ‘আমি খেলাধুলার জন্যই সব পেয়েছি। তাই আমি আমার রাজ্যে খেলাধুলার মান বাড়াতে চাই এবং হরিয়ানার মত অসমকে দেশের মধ্যে পারফর্মিং আর্টে সেরা বানাতে চাই। আমি নিষ্ঠার সঙ্গে অসম পুলিশের হয়ে কাজ করতে চাই আর কথা দিচ্ছি খেলাধুলাকে কখনোই পিছিয়ে যেতে দেব না।’

অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বনন্দ সোনওয়াল বলেন এই ঘটনা যুবসমাজের মধ্যে খেলাধুলার ব্যাপারে বাড়তি উৎসাহ প্রদান করবে। তিনি টুইটে লেখেন, ‘অসমের জন্য একটা গর্বের দিন। আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাথলিট হিমা দাসকে অসম পুলিশের ডেপুটি স্পারিন্টেন্ডেন্ট অফ পুলিশ পদে নিয়োগ করতে পেরে খুশি। খেলাধুলায় তাঁর যা কৃতিত্ব এটা সেই কৃতিত্বকে সম্মান জানানো। খেলাধুলায় উৎকর্ষতা আনতে এই ঘটনা যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করবে।’

উল্লেখ্য, গত ১০ ফেব্রুয়ারি গুয়াহাটির জনতা ভবনে রাজ্যের মন্ত্রীদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী সর্বনন্দ সোনওয়াল। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে ‘ঢিং এক্সপ্রেসকে’ ডিএসপি পদে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একইসঙ্গে স্বনামধন্য অ্যাথলিটদের রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সমন্বিত ক্রীড়া পলিসিতেও সংশোধন আনা হয় ক্যাবিনেটের পক্ষ থেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।