স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: পরবর্তী সার্ক সম্মেলনে স্থান পেতে চলেছে বাংলাদেশের হিলি থেকে মেঘালয়ের তুরা পর্যন্ত করিডর প্রসঙ্গে। শনিবার এমনই আশ্বাসবাণী শোনালেন কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রী তথা বিবিআইএম’র চেয়ারম্যান নীতিন গডকরি। বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে করিডরটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি থেকে মেঘালয়ের তুরার দূরত্ব কমে হবে মাত্র ৮৭ কিমি। যার ফলে শুধু বালুরঘাট তথা এপার বাংলা নয়। বাংলাদেশ সহ গোটা উত্তরপূর্ব ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটে যাবে।

শনিবার বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে, জয়েন্ট মুভমেন্ট কমিটির একটি প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গডকরির বাসভবনে গিয়ে এই বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেন। জানা গিয়েছে,অধীর চৌধুরী এদিন একটি মানচিত্রের মাধ্যমে এই করিডরের গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে। দীর্ঘ এক ঘন্টারও বেশি সময়ের এই আলোচনা শেষে নীতিন গডকরি জানান, এই করিডর দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সার্কের অন্তর্ভুক্ত বি বিআইএম(ভুটান বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ও নেপাল)এর পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনায় করা হবে।

যদিও বৈঠকের দিনক্ষন এখনও সঠিক ভাবে জানা যায়নি। তবে এই বৈঠকে দুই-বাংলা মেঘালয়, তথা উত্তরপূর্ব ভারতের উন্নয়নে এই করিডর যে অত্যন্ত কার্যকরী সেই বিষয়ে আলোকপাত করা হবে। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকরি।

অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে, নীতিন গডকরি ছাড়াও সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী দফতর বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী ডাঃ জীতেন্দ্র সিং-এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন করিডর কমিটির দুই প্রতিনিধি। তাঁর হাতে এদিন সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তুলে দেন লোকসভার এই বিরোধী দলনেতা।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার দিল্লিতে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বাংলোতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন, এই করিডর কমিটির আহ্বায়ক নবকুমার দাস ও প্রাক্তন সাংসদ রণেন বর্মন। দিল্লিতে উপস্থিত হয়ে করিডর সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র বিরোধী দলনেতার হাতে তুলে দিয়েছিলেন কমিটির এই দুই প্রতিনিধি। সেদিনই এই করিডরটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে, উত্তর-পূর্ব ভারতের দায়িত্বে থাকা সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গডকরির সঙ্গে হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডরের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি। সেই কথা মত শনিবারই এই বিষয়ে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসেন এই করিডর কমিটির এই দুই প্রতিনিধি।