নয়াদিল্লি : স্থায়ী রিটার্ন বা ঝুঁকিহীন বিনিয়োগ যারা চান, তাঁদের জন্য পোস্ট অফিসের এম আই এস স্কিম আদর্শ। পোস্টঅফিসের এই মান্থলি ইনকাম স্কিমে একটি নির্দিষ্ট আয় সম্ভব। মাসিক কম করে ১০০ টাকায় পোস্ট অফিসে এই প্রকল্প করা যায়। ১০০ টাকার নীচে ডাকঘরে এমআইএস স্কিম খোলা যায় না।

অন্যদিকে এই এমআইএসের ম্যাচিওরিটি পিরিয়ড হল ৫ বছর। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, আপনি একটি পোস্ট অফিসে যতখুশি এমআইএস স্কিম করতে পারেন। এছাড়া অ্যাকাউন্ট খোলার পর অ্যাকাউন্ট হোল্ডার চাইলে তাঁর আত্মীয় বা বাড়ির কাউকে নমিনিও রাখতে পারেন। জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে দুই বা তিনজনও চাইলে একসঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।

যদি কোন বিনিয়োগকারী এই স্কিমে নিজের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খোলেন, তাহলে মাসের এই রোজগার দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এই এমআইএস তাণদের জন্য আদর্শ যাঁরা, কোনও ঝুঁকি ছাড়াই বিনিয়োগ করতে চান। সিনিয়র সিটিজেন বা বয়স্কদের জন্য এই প্রকল্প ভালো, তবে শুধু বয়স্কদের জন্যই এই প্রকল্প সীমাবদ্ধ নেই। এক দফায় বিনিয়োগের জন্যও এমআইএস স্কিম লাভজনক বলে বিবেচিত হয়।

এই প্রকল্পে কোনও বিনিয়োগকারী ৪.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারেন। কিন্তু স্ত্রী বা স্বামীর সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খুলে বিনিয়োগ করলে বিনিয়োগের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে এমআইএসের সুদের হার ৬.৬ শতাংশ।

ফলে যদি ৪.৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করা হয়, রিটার্ণে সর্বাধিক ২৯,৭০০ টাকা অতিরিক্ত পাবেন বিনিয়োগকারী। সেক্ষেত্রে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে সেই রিটার্ণ দাঁড়াবে দ্বিগুণ অর্থাৎ ৫৯,৪০০ টাকা। একে ১২ মাসে ভাগ করলে দাঁড়াচ্ছে ৪৯৫০ টাকা। ফলে প্রতি মাসে প্রায় ৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত আসবে হাতে।

অন্যদিকে রয়েছে আরও একটি নিয়ম। যদি আপনি এই প্রকল্পে টাকা বিনিয়োগ করেন, তবে যে কোনও দিন আপনি এটা বন্ধও করতে পারেন। তবে তিন বছরের আগে বন্ধ করলে ২% টাকা কেটে নেওয়া হবে।

আর ৩ বছর পড়ে ম্যাচিওরিটির আগে বন্ধ করে দিলে আপনার জমানো টাকা থেকে ১% টাকা কেটে নেওয়া হবে। যখন ম্যাচিওরিটি হবে তখন পোস্ট ডেটেড চেক বা ইসিএসের মাধ্যমে পোস্ট অফিস থেকে এই টাকা তুলে নিতে পারবেন গ্রাহকেরা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও