কলকাতা: হাইকোর্টে নাকচ হয়ে গেল বিজেপির দাবি। নির্বাচন সংক্রান্ত মোট তিনটি দাবি জানানো হয়েছিল বিজেপির পক্ষ থেকে। সবকটিই নাকচ করে দেওয়া হয়েছে এদিন। আগামী পঁচিশ তারিখ কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়াই হবে নির্বাচন।

গত আঠারো তারিখ কলকাতায় পুরভোটের পর শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ২৫ তারিখ নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ারও আর্জি জানায় তারা। কিন্তু বিচারপতি আজ জানান, শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের যথেষ্ট প্রমাণ নেই। তাই এর ভিত্তিতে এত কম সময়ে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়াও সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।

কলকাতা পুরভোট হওয়ার পরই এই মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল। রাজ্য বিজেপির দাবি ছিল গণনা থামিয়ে দিতে হবে। এছাড়া এভিএম মেশিনের ফরেনসিক পরীক্ষার দাবিও তোলেন বিজেপিকর্মীরা। কিন্তু, সবকটি দাবি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

বিজেপি ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দাবি করেছিল, এদিনই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় দুই ২৪ পরগনায় দুই কোম্পানি ও হুগলিতে এক কোম্পানি বাহিনী দেওয়া হবে।

এদিকে, ২৫ তারিখ রাজ্যের বাকি ৯১টি পুরসভার ভোট অবাধ ওসুষ্ঠু করতে সবরকম ব্যবস্থা নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।