স্টাফ রিপোর্টার , দিঘা: বঙ্গে নিম্মচাপ সক্রিয় থাকায় দিঘায় প্রবল জলোচ্ছাসের আশঙ্কা। যার ফলে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও দিঘায় আগত পর্যটকদের জন্য বাড়তি সর্তকতা জারি করল পুলিশ প্রশাসন।

গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার নিম্নচাপের দরুন পূর্ব মেদিনীপুর সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় অঝোড়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। যার ফলে পর্যটকদেরকে সমুদ্রে নামতে দেওয়া হয়নি। এবার ফের জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা নিয়ে জারি করা হল সর্তকতা।

২ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দিঘার সমুদ্র সৈকতে জারি করা হয়েছে সর্তকতা। পর্যটকদের সমুদ্রে নামার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এদিকে আনলক পর্ব থেকে ক্রমশ স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে দিঘা। একঘেয়েমি কাটাতে শুরু হয়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। সবরকম সতর্কতা বিধি মেনে ধীরে ধীরে দিঘার সমস্ত হোটেল, লজ গুলিও খুলতে শুরু করেছে। পর্যটকদের আগমনে যেমন ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছে, তেমনি পুনরায় প্রানবন্ত হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে এই সৈকত শহর।

যদিও ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যার পর থেকে এক নাগাড়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। যার ফলে সেভাবে সমুদ্রে নামতে দেওয়া হয়নি পর্যটকদেরকে। এবার ফের জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা নিয়ে সমুদ্রসৈকতে জারি হল সর্তকতা।

স্থানীয় দিঘা কোস্টাল থানার পক্ষ থেকে বুধবার সকাল থেকে চলে মাইকিং প্রচার। ২সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পর্যটকরা সমুদ্রের না নামেন সেজন্য প্রচার করা হয়। জলোচ্ছ্বাসের সময় সৈকত চত্বরে চলবে বিশেষ নজরদারি। পর্যাপ্ত পরিমাণে মোতায়েন রাখা হয়েছে নুলিয়া। সব মিলিয়ে জলোচ্ছ্বাসের সময় যেকোনও ধরনের বিপদ এড়াতে তৎপর দিঘার পুলিশ প্রশাসন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।