নয়াদিল্লি : বৈঠকের প্রস্তাব ব্যর্থ। আলোচনা চাইছেন না তাঁরা। তবে পিছু হঠছে না কেন্দ্র। নয়া কৃষি বিলের বিরোধিতায় কেন্দ্র এবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছে। বিজ্ঞান ভবনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য হেভিওয়েট মন্ত্রকের মন্ত্রীরা একত্রিত হবেন। তাঁরা কৃষকদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করবেন।

বিজ্ঞান ভবনে কৃষকদের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে বসার চেষ্টা চালাবেন ওই মন্ত্রীরা বলে সূত্রের খবর। উল্লেখ্য ৩রা ডিসেম্বর কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে বসার তথ্য নাকচ করেছেন কৃষকরা। তাঁরা বুরারি গ্রাউন্ডেও যেতে নারাজ। তাঁদের দাবি কেন্দ্র সরকারের কথা মেনে বুরারি গ্রাউন্ডে যাওয়ার অর্থ জেলের রাস্তা তাঁদের সামনে খুলে যাওয়া।

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের মুখপাত্র রাকেশ টিকাইত জানান, রামলীলা ময়দানেই বিক্ষোভ দেখাবেন তাঁরা। কেন্দ্রের নির্ধারিত কোনও এলাকাতে তাঁরা যাবেন না। কেন্দ্রের তরফ থেকে যে সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাও নাকচ করে দিয়েছেন প্রত্যেক বিক্ষোভকারী।

একের পর এক রাজ্য থেকে রাজধানীর দিকে হাজার হাজার কৃষকের যাত্রা অব্যাহত। উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার সীমানা পার করে দিল্লি ঘেরাও করতে মরিয়া কৃষকরা। মোদী সরকারকে টানা অবরোধে বেঁধে রাখতে অন্তত ছয় মাসের খাবার নিয়ে এসেছেন বলেই জানিয়েছেন বিদ্রোহী কৃষকরা।

এদিকে, রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “নতুন কৃষি আইনে ভারতীয় কৃষকদের জন্য একটি সুযোগের দরজা খুলে দিয়েছে।” মোদী জানান, কয়েক বছর ধরে কৃষকরা যে দাবিগুলি করে আসছিল, তা শেষ পর্যন্ত পূরণ হয়েছে।

তবে প্রধানমন্ত্রী মোদী এই আইনকে কৃষকদের ভালোর জন্য বললেও রাজধানীতে কৃষকদের অবস্থান মোটেই সেকথা জানাচ্ছে না। কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের জেরে কৃষকদের স্বার্থে আঘাত লাগবে, এই আশঙ্কা থেকেই কয়েকমাস ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দেশের একাধিক রাজ্যের কৃষক-সমাজ। বিক্ষোভ চরম আকার নিয়েছে পঞ্জাব, হরিয়ানা-সহ উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে। বিগত চারদিন ধরে কৃষকদের অভূতপূর্ব আন্দোলনে নড়ে উঠেছে দেশ। আইন বাতিল করার দাবিতে সরব হয়েছে কৃষকেরা। হাজার হাজার কৃষকেরা বর্তমানে দিল্লির আশেপাশে শিবির করে রয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।