স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: সেনাকর্মীর বাবাকে পুলিশের পরিচয় দিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট৷ একই সঙ্গে এই ঘটনায় পুলিশি তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত৷ কলকাতা হাইকোর্টর বিচারপতি রাজ শেখর মন্থা তাই এই ঘটনার তদন্তের ভার সিআইডির উপর ন্যস্ত করেন৷

২০১৭ সালের ৮ মে ৬৪ বছর বয়সী মধুসুদন মুখোপাধ্যায়কে বাড়ি থেকে গাড়ি সমেত তুলে নিয়ে যায় তিন দুষ্কৃতী৷ মধুসুদন দত্তের কাছে থাকা নগদ দু’লক্ষ টাকা, তিনটে মোবাইল ফোন ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ৷ এরপর দুষ্কৃতীরা তাঁকে দমদমের একটি বাড়িতে বন্দি করে রাখে৷ তাঁকে আটক করে মারধর করা হয়৷ এবং হুমকি দেওয়া হয়, দাবি মতো টাকা না দিলে মাদক পাচারের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে দেওয়া হবে৷ পরে মধুসুদনবাবুর বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও গয়না নিয়ে আসে দুষ্কৃতীরা৷ এরপর ৯ মে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়৷

বাড়ি ফিরে এসে ওই দিনই বারাসত থানায় অভিযোগ করতে যান তিনি। কিন্তু বারাসত থানার পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বিকার করে। ১০ই মে মধুসূদনবাবু জেলার পুলিশ সুপারকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি বিস্তারিত জানান। তারপরেও পুলিশের সাহায্য না পেয়ে নিম্ন আদালতে মামলা করেন তিনি। বারাসত আদালতের নির্দেশে পুলিশ অভিযোগ নেয়৷ কিন্তু তার পরেও অভিযুক্তরা অধরা থেকে যায় ১৮ অগস্ট ২০১৭ সালে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মধুসূদনবাবু ।

মামলার শুনানি শুরু হয় বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে। বিচারপতি মধুসূদনবাবুর গোপন জবানবন্দি নেওয়ার নির্দেশ দেন। সেই মতো পুলিশ গোপন জবানবন্দি নিয়ে আদালতকে জানায় যে অভিযোগকারী নিজেই তদন্তে সহযোগিতা করছেন না। এরপর মামলার শুনানি শুরু হয় বিচারপতি রাজ শেখর মন্থার এজলাসে।

বিচারপতি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেখানে মধুসূদন বাবুকে দুস্কৃতিকারীরা আটক করে রেখেছিলেন সেই জায়গাতে যাওয়ার। পুলিশ আদালতের নির্দেশ মেনে দমদমের নির্দিষ্ট জায়গাতে গেলেও ছিনতাই হয়ে যাওয়া গাড়ি এবং অভিযুক্তদের কোনও হদিশ পায়নি ।

বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে আভিযোগকারীর পক্ষের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় ও আইনজীবী তীথঙ্কর দে আদালতকে জানান ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কিছুই উদ্ধার করতে পারেনি। এরপরই পুলিশি তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজ শেখর মন্থা পাশপাশি সিআইডিকে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।