স্টাফ রিপোর্টার,বালুরঘাট: নিজের এলাকায় অসহায় মানুষের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য বালুরঘাটের সাংসদ ডঃ সুকান্ত মজুমদারকে সবুজ সংকেত দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

লকডাউনের জেরে অসহায় অবস্থায় থাকা ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকায় বাসিন্দাদের ত্রাণ পৌঁছে দিতে গত ২৩ এপ্রিল হিলি যাচ্ছিলেন বিজেপি সাংসদ ডাঃ সুকান্ত মজুমদার। ওইদিন বালুরঘাটের কেজি স্কুলের সামনে তাঁর পথ আটকে দেয় প্রশাসন। সেই সঙ্গে তাঁকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নোটিশও জারি করেছিল প্রশাসন।

শুধু হিলিতে যাওয়ার ক্ষেত্রেই নয় দিন কয়েক পর তিনি গঙ্গারামপুরের ঠ্যাঙাপাড়া এলাকা থেকে ফিরতে নিলে পথে রামপুরের নিকটে আটকে দেয় পুলিশ। পরে যদিও রীতিমতো স্কট করে সাংসদকে বালুরঘাটে নিয়ে এসে বাড়িতে ঢুকিয়ে দেয় প্রশাসন। পর পর দুটি ঘটনাতেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ২৩ এপ্রিলের সেই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বালুরঘাটের সাংসদ।

সেই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক অসহায় মানুষদের কাছে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে বলে মঙ্গলবার দাবি করেছেন সাংসদ ডঃ সুকান্ত মজুমদার। এক্ষেত্রে কোভিড১৯ গাইডলাইন মেনেই সেই ত্রাণসামগ্রী বণ্টনের শর্তও জুড়ে দিয়েছে হাইকোর্ট। মামলায় ডঃ সুকান্ত মজুমদারের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী অরিজিৎ বক্সি। উল্টোদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জেনারেল শ্রী কিশোর দত্ত।

এদিন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার হাইকোর্টের সবুজ সংকেতের কথা জানিয়ে বলেন যে, তিনি শুরুর দিন থেকেই লকডাউন বিধি কঠোর ভাবে মেনে চলেছেন। ২৩ এপ্রিলও সেই বিধি মেনেই হিলিতে অসহায় মানুষদের কাছে ত্রাণ পৌছে দিতে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ করে তিনি বলেন বিনা কারণে সেদিন পুলিশ তাঁকে যেতে বাঁধা দেয়। সেই সঙ্গে ১৪ দিনের জন্য বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নোটিশও দিয়েছিলো। প্রশাসনের সেই ভূমিকার বিরুদ্ধেই তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব