ফাইল ছবি

অকল্যান্ড : নিউজিল্যান্ডের ক্যালিডোনিয়া ও ভেনুটু অঞ্চল ব্যাপক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। এমনটাই খবর জানা যাচ্ছে। কম্পনের তিব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে উপকূলীয় অঞ্চলে জারি করা হয়েছে সুনামি সতর্কতা। বহু মানুষকে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর মিলছে। রিখটার স্কেলে এর কম্পনমাত্রা ছিল ৮.১।

কম্পনের সঙ্গে সঙ্গেই ওই অঞ্চলে সুনামির সতর্কতার ঘোষণা শুরু হয়ে যায়। বলা হয় ১০ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এও বলা হয় যে সমুদ্রতটে যেন কেউ না থাকেন। সমুদ্রে স্নান করতে বা কোনওরকম ক্রিয়াকলাপ বন্ধ করতে বলা হয়। স্কুল পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয় ওই অঞ্চলে, কারণ রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম হতে পারে। এতে কোনও দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকলে তা আরও বড় আকার ধারন করতে পারে। এর আগে ওই অঞ্চলেই ৭.২ ও ৭.৩ মাত্রার বড় কম্পন অনুভূত হয়। তারপরেই ৮.১ মাত্রার ভয়ঙ্কর কম্পন।

মূলত নিউজিল্যান্ডের উত্তর আইল্যান্ডে এই কম্পন অনুভূত হয়। এমন ভয়ঙ্কর কম্পনের পড়ে কোনও ক্ষতি হয়েছে কি না তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারাও। বিশাল ঢেউ সমুদ্র উপকূলের ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে বলা বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ বছরের শুরুতে জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ইন্দোনেশিয়া। দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা এজেন্সি থেকে জানানো হয়, গভীর রাতে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে তীব্র ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৬.২। ভূমিকম্পে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়, আহতও হন অনেকে। জানা যায়, ম্যাজেনে শহরের উত্তরপূর্বের ৬ কিলোমিটার দূরে ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০কিমি গভীরে ছিল কম্পনের কেন্দ্রবিন্দু। ভূমিকম্প অনুভূত হতেই কয়েক হাজার মানুষ আতঙ্কে ও প্রাণ বাঁচাতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন।বিপর্যয় মোকাবিলা এজেন্সি থেকে বলা হয়, ভূমিকম্পের জেরে শহরের বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পশ্চিম সুলাওয়েসি গভর্নরের অফিস ও বেশ কয়েকটি হোটেলের দেওয়ালে চিড় ধরা পড়েছে। সেখানে বিদ্যুত্‍ পরিষেবাও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

বছর শেষে ক্রোয়েশিয়ায় জোরালো ভূমিকম্প কাড়ল ৬ প্রাণ, তীব্রতা ৬.৩। গত বছরের শেষদিকে, জোরালো ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত অবস্থা হয় মধ্য ক্রোয়েশিয়া। তাসের ঘরের মতো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাড়িঘর। আতঙ্কিত লোকজন ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। ভূমিকম্পের জেরে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। জখমও হন বেশ কয়েকজন।। ভূমকম্প প্রবণ দেশ হলেও এত বড় মাপের কম্পন এর আগে কখনও হয়নি সেদেশে। ১৯৯০ সালে একবার বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। তার পরে আর তেমন ভূমিকম্প দেখা যায়নি এই ছোট্ট দেশটিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।