করোনা থেকে সাবধান
ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: করোনায় কাঁপছে গোটা দেশ। কম বেশি প্রায় সব রাজ্যেই একই অবস্থা। এহেন পরিস্থিতিতে উঠেছে বিস্ফোরক অভিযোগ। করোনায় প্রতিদিন যে হারে মৃত্যু হচ্ছে তাতে লম্বা লাইন রয়েছে শ্মশান ও কবরস্থানে। একাধিক রাজ্যে শ্মশান ও কবরস্থানে স্থানাসংকুলানের চিত্র উঠে এসেছে। কিন্তু মধ্যপ্রদেশ সহ আরও কয়েকটি রাজ্য থেকে মৃত্যু হারের যে তথ্য উঠে আসছে তাতে সন্দিহান অনেকেই।

মধ্যপ্রদেশের ভোপালের এক শ্মশানের রিপোর্ট বলছে, কোভিড-১৯ জেরে মৃত ৯৪ জনের মৃতদেহ দাহ করা হয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকারের তথ্য বলছে মাত্র ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুজরাতের সুরাতেও প্রায় একই রকমের এক চিত্র ধরা পড়েছে। বাংলা ভাষার একটি অন্যতম সংবাদপত্র ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে একটি সম্পাদকীয়ও প্রকাশ করেছে। তার শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘তথ্যের মৃত্যু’। সেখানে উত্তরপ্রদেশের নামও এই বিভ্রাটে সামিল। যোগী সরকার যেখানে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে সরকারি ভাবে ১২৪ জনের নাম মৃত হিসেবে ঘোষণা করে, সেখানে শ্মশান কর্তৃপক্ষের হিসেব বলছে ৪০০ জনের বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট বলছে শ্মশান ও কবরস্থানে অন্তিম ক্রিয়াকলাপের জন্য লোকের প্রচুর লাইন পড়ছে। কিন্তু সেই রাজ্যে দেখা যাচ্ছে সরকার সামান্য পরিমাণে মৃতের সংখ্যা উল্লেখ করছে। ফলে সাধারণ মানুষ আশঙ্কায় ভুগতে শুরু করেছে।

অন্যদিকে দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ হতে চলল। একাধিক উদ্যোগ নিয়েও রাশ টানা যাচ্ছে না সংক্রমণে। রাজ্য়গুলিতে হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪১ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৩ জনের। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ১৬ হাজার ১৩০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৫৩ জনে। অ্য়াক্টিভ মামলার সংখ্যা ২১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৩৮। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৫৭ জন। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থতার সংখ্যা ১ কোটি ৩২ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩৯। করোনাকে ঠেকাতে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরণ প্রক্রিয়া। এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে দেশের ১৩ কোটি ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩১০ জনকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.