আলবানি: ভাবতে পারছেন একটি আয়নার পেছনে লুকিয়ে রাখা হয়েছে একটি পুরোনো বসতবাড়ি। তাও আবার সেটি একটি ৩ বিএইচকে ফ্ল্যাট। শুনেই কেঁপে উঠলেন তো ভয়ে? তাহলে ভাবুন এই মহিলার তা দেখে কী অবস্থা হয়েছিল। তবে এটা কিন্তু কোনো সিনেমার প্লট নয়। বাস্তবেই নিউ ইয়র্কের এই মহিলা তা দেখেছেন স্বচক্ষে।

প্রথম থেকেই সামান্থা হার্টসো নামক ওই মহিলা বাথরুমে গেলেই অদ্ভুত কিছু অনুভব করতেন। অনেকটা সময় কাউকেই জানাননি তার মনের কথা। তবে বাস্তবেই কোনো ভয়ঙ্কর কিছু কল্পনা করেই আর তিনি থাকতে পারেননি। তাই রাতারাতি সেই রহস্য উন্মোচনে নেমে পড়েন। মহিলা এর পর রহস্যের কিনারা করতে গিয়ে এমন অবাস্তব ও অকল্পনীয় কিছুর দেখা পান যা তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। সেটি হলো একটি ফ্ল্যাট। নেটিজেনদের মনেও তা যথেষ্ট ভাবনার সঞ্চার করেছিল। সেইসব ভিডিওয় মহিলা তার মনের সব কথা শেয়ার করেছেন।

তিনি বলেন যে বাথরুমে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়ালেই হাওয়ায় নাকি তার চুলও উড়তো। অথচ কোনো ছিদ্র ছিলো না। এমনকি গায়ে একটা ঠান্ডা হাওয়াও নাকি এসে লাগতো তার। প্রথম প্রথম তিনি অতটা ধ্যান না দিলেও প্রতিদিন এমনটা ঘটতে থাকায় তিনি বেশ চিন্তায় পড়েন। এমন কোন অলৌকিক ঘটনা রয়েছে সেই হাওয়ার পেছনে এটা তাকে জানতেই হতো। তাই শেষমেশ যেমন ভাবা তেমন কাজ।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Samantha Hartsoe (@samanthartsoe)

তার কিছু কাছের বন্ধুদের নিয়ে সামান্থা হার্টসো নেমে পড়েন রহস্য সমাধানে। সুরক্ষার যাবতীয় ব্যবস্থা নিয়েই তারা দল বেঁধে আয়না সরাতেই দেখেন একটি সুড়ঙ্গ। তা বরাবর এগিয়ে যেতেই চক্ষু ছানাবড়া। খুঁজে পান পুরোনো একটি ফ্ল্যাট। আবার শুধু তাই না, চারিদিক তল্লাশি চালিয়ে তারা খুঁজে পান ছেঁড়া ব্যাগ ও জলের বোতল। আর এগোনোর সাহস তারা পাননি। তাই ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ করে তারা ফিরে আসেন নিজেদের জগতে। তারপর আবার সেই রহস্যময় আয়নাকে তিনি স্বস্থানে বসিয়ে দেন। কেউ কেউ মহিলার সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। কেউ কেউ নিজেরাই ভয়ে চমকে উঠেছেন সমস্তটা জানতে পেরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।