কলকাতা : মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে নিজের বাবার পরিচালনায় বিয়ের ফুল ছবিতে অভিনয় দিয়ে বিনোদন জগতে পা রেখেছিলেন অভিনেত্রী রানী মুখার্জী। আর অন্যদিকে সেই ছবির নায়ক ছিলেন ততদিনে অলরেডি বিনোদন জগতে নিজের নাম তৈরি করে ফেলা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অর্থাৎ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ছিলেন রানী মুখার্জির প্রথম নায়ক।

আজ রবিবারে হঠাৎই নস্টালজিয়ার পথে পাড়ি দিলেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের অলিখিত অভিভাবক অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। টাইমলাইনের স্মৃতি পথ ধরে অভিনেতা সোজা পৌঁছে গেলেন ১৯৯৬-তে। পরিচালক রাম মুখোপাধ্যায়ের ছবিতে ডেবিউ করেছিলেন রানী মুখার্জি । ছবির নায়ক ছিলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনিই প্রথম নায়ক রানির। বাংলা ছবি ‘বিয়ের ফুল’-এ।ছবিতে প্রসেনজিৎ-রানি ছাড়াও অভিনয় করেছিলেন ইন্দ্রাণী হালদার, সব্যসাচী চক্রবর্তী সহ তাবড় অভিনেতারা। আজ সেই ছবির ২৫ বছর অর্থাৎ সুবর্ণ জয়ন্তী।

নিজের সোশ্যাল সাইটে বিয়ের ফুল ছবির ‘ মন আমার এক নতুন মাস্তানি শিখেছে’ গানটির একটি দৃশ্য পোস্ট করে ঘরে বসেই অনুরাগীদের সঙ্গে সুবর্ণজয়ন্তী সেলিব্রেট করলেন অভিনেতা। ছবিতে ওই গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী বিজয়েতা পণ্ডিত। যাঁর সঙ্গে প্রসেনজিৎ জুটি বেঁধেছিলেন ‘অমর প্রেম’ ছবিতে। আজও সেই ছবির গান ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ এভারগ্রীন হয়ে দর্শকদের মনে রাজ করছে।

অন্যদিকে পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে দারুন সারপ্রাইজ দিয়েছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তাঁর ভক্তদের। ময়ূরাক্ষীর পর আবারও জুটি বাঁধছেন অতনু ঘোষ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জুটি। বাবা এবং ছেলের মধ্যে অনেক না বলা কথার ভীড় নিয়ে এসেছিল ময়ূরাক্ষী। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সেখানে অভিনয় করেছিলেন প্রয়াত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

নতুন ছবি অ্যানাউন্সমেন্ট এর কথা তিনি শেয়ার করলেন একটি ছোট্ট ভিডিওর মাধ্যমে। ওখানে দেখা যাচ্ছে ছড়ানো ছেটানো নুড়ি পাথরের মধ্যে পড়ে আছে একটি বই।তার কিছু দূরেই একটি পায়রা ঘুরছে তার নিজের মনে। অতনু ঘোষ এর গল্প মানেই সম্পর্কের গল্প, তবে না চেনা ছকের বাইরে গিয়ে। নতুন বছরে,প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ভক্তদের কাছে এর থেকে বড় পুরস্কার আর কী হতে পারে?

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.