সেই কোন প্রাচীন কাল থেকে সমাজ ব্যবস্থার মূল প্রাণশক্তি ঈশ্বরকে রক্ষাকর্তা হিসেবে পুজো করে আসছে মানুষ। নানা ভাষা, নানা মত, নানা পরিধান থাকলেও আমাদের সকলেরই এক ও অদ্বিতীয় ঈশ্বরের প্রতি রয়েছে প্রগাঢ় বিশ্বাস এবং ভক্তি। দুনিয়া যতই আধুনিক হোক না পৌরাণিক যুগ থেকে শুরু করে একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধায়৷ অটল মানুষ।

কারণ, বিজ্ঞান নির্ভর যুগে যখন আমরা প্রযুক্তির হাত ছাড়া এগোতে পারি না এক-পা, ঠিক তখনই বিপদে পড়লে আজও ছুটে যাই মন্দির, মসজিদ, গির্জায়। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারী তার জ্বলন্ত প্রমাণ। তবে সবকিছু কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস যে নয় তা মানছেন বিশ্বের তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীরাও।

আর তাইতো প্রাচীন সমাজ ব্যবস্থা থেকে আমরা আজ আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় পৌঁছে গেলেও এখনও ভগবানের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে যায়নি আমাদের। ফলে আজও বিশেষ বিশেষ তিথিতে ব্রত, পুজোপাঠ করে জগত সংসারের মঙ্গল কামনায় ব্রতী হন অসংখ্য মানুষ।

 

ঠিক একই ভাবে মঙ্গলবার যেমন অনেকেই হনুমানজির পুজো করে সংসারের সুখ শান্তি সমৃদ্ধি কামনা করেন। হনুমানের মূর্তিতে সিঁদুর দিয়ে প্রসন্ন করা হয় তাকে।

কারণ, কথিত আছে, ভগবান রামচন্দ্রের শিষ্য হনুমানকে সিঁদুর দিয়ে পুজো দিলে ভক্তের মনস্কামনা পূর্ণ করেন হনুমানজি৷ শুধু তাই নয়, প্রতি মঙ্গলবার হনুমনাজিকে সিঁদুর দিয়ে পুজো দিলে গৃহস্থের মঙ্গল হয়। আর্থিক উন্নতি সংসারে সুখশান্তি বজায় থাকে।

তবে রামভক্ত হনুমানকে সিঁদুর দান করে পুজে করার পিছনে রয়েছে একটি পৌরাণিক কাহিনী। কথিত আছে, একদিন ভগবান রামচন্দ্রের স্ত্রী সীতা মাকে সিঁথিতে সিঁদুর পড়তে দেখেছিলেন হনুমানজি।

আর তা দেখে প্রভু ভক্ত হনুমানের মনে সিঁদুর পড়ার কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন জাগে। কৌতূহলী হনুমান এই বিষয়ে সিতাকে প্রশ্ন করলে পতিব্রতা সীতা হনুমানকে জানান যে, সিঁথিতে সিঁদুর পড়লে স্বামীর মঙ্গল হয়। স্বামী দীর্ঘজীবি হন।

সীতা মায়ের থেকে সিঁদুর সম্পর্কে একথা জানার পর রামভক্ত হনুমান দৌড়ে গিয়ে প্রভুর মঙ্গল কামনায় নিজের সারা শরীরে সিঁদুর রাঙিয়ে দেন। গুরুর প্রতি শিষ্যের এমন ভালোবাসা, ভক্তি শ্রদ্ধার কথা জানতে রামচন্দ্র হনুমানকে আশীর্বাদ করেন যে, সবাই তাকে সিঁদুর দিয়ে পুজো করবে। আর সেই থেকে আজও প্রিয়জনের মঙ্গল কামনায় ভগবান হনুমানকে সিঁদুর দান করে পুজো করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.