নয়াদিল্লি: আজকাল ইন্টারনেটের যুগ! সব কাজই হয়ে যায় নিমেষে৷ সেভাবে লেনদেনের একটা বড় অংশও ইন্টারনেট নির্ভর৷ সাধারণের হাতে হাতে ঘোরে ডিজিটাল ওয়ালেট, ক্রেডিট কার্ড৷ আর, এই স্মার্ট অপশনগুলির জন্যই আজকাল অনেকে ক্যাশ ক্যারি করেন না৷ পেমেন্টের জন্য ব্যবহার করেন পেমেন্ট অ্যাপগুলিকে৷ যেগুলি লেনদেনকে করেছে অনেক বেশি সহজ৷

অনেকেই স্টুডেন্ট৷ যারা পড়ুশুনার খাতিরে বাইরে থাকেন৷ লেনদেনের জন্য সাহায্য নেন বিভিন্ন পেমেন্ট অ্যাপগুলির৷ কিন্তু, সেগুলিতেও অনেক সময় স্মুদ ট্রানজ্যাকশন হয় না৷ অন্যদিকে, স্টুডেন্টদের কথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন ব্যাংক নিয়ে এসেছে বিশেষ ধরণের স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড৷ তাই, আপনি যদি স্টুডেন্ট হন, ট্রাই করতে পারেন বিকল্পিত মাধ্যমটিকে৷ চুরি গেলে কার্ডটিকে ব্লক করাও বেশ সহজ৷ তাই, বিনা চাপে ক্যারি করুন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড৷

কারা অ্যাপ্লাই করতে পারবেন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডটির জন্য? রইল উত্তর৷ বিশেষ ধরণের এই ক্রেডিট কার্ডটির জন্য আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ১৮ বা তার বেশি৷ স্কুল স্টুডেন্টের জন্য থাকছে না সুবিধাটি৷ শুধুমাত্র কলেজের গোয়িং স্টুডেন্টরাই পাবেন অপশনটিকে৷ আবেদনের সময় প্রয়োজন পড়বে কলেজ আইডি সহ অন্যান্য তথ্যের৷ অনেক ব্যাংকই এডুকেশন লোন গ্রাহকদেরই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের পরিষেবা দিয়ে থাকে৷ তবে, সব ব্যাংকের ক্ষেত্রে এক নিয়ম প্রযোজ্য নয়৷

যদি কোন স্টুডেন্ট ফিক্সড ডিপোসিট করিয়ে থাকেন৷ তারাও সেই ফিক্সড ডিপোসিটের উপর স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করতে পারবেন৷ একইভাবে পরিবারে যদি কেউ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারী থাকেন তাহলে অ্যাড-অন করেই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের পরিষেবা পেয়ে যাবেন গ্রাহক৷ সেভিংস অ্যাকাউন্ট হোল্ডার (স্টুডেন্ট) অ্যাকাউন্টে ভাল অ্যাভারেজ মান্থলি ব্যালেন্স মেনটেন করলে আবেদন করতে পারবেন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য৷

স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য প্রয়োজন পড়বে জন্মের প্রমানপত্র, কলেজ আইডি কার্ড, অ্যাড্রেস প্রুভ, পাসপোর্ট সাইজ ফটোগ্রাফ, প্যান কার্ডের৷ সাধারণ ক্রেডিট কার্ডের থেকে বেশ খানিকটা আলাদা হয় এই কার্ড৷ লাগামহীন খরচ রুখতেই কার্ডগুলির ক্রেডিট লিমিট থাকে ১৫,০০০ টাকা৷ বৈধতা থাকে ৫ বছর পর্যন্ত৷ এটির জন্য লাগে না কান জয়েনিং ফি৷ এছাড়াও, অ্যানুয়াল চার্জও থাকে খুব সামান্য৷