চণ্ডীগড়: এখানে দীপাবলি মানে বাজি বা কালি পটকা নয়, ছোড়া হয় পাথর-কয়লা৷ যার নাম ‘পাথর কা মেল’৷ শতাব্দী প্রাচীন এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এখনও পালন করা হয়ে আসছে এই উৎসবকে৷ চণ্ডীগড়ের একটি গ্রাম, নাম ঢামি৷ আর সেখানেই আলোর উৎসবের একদিন পর একটি মেলা অনুষ্ঠিত হয়৷ যে মেলায় গ্রামের দুই দল একে অপরের দিকে পাথর ছোঁড়ে৷ এমনকি এই পাথর ছোড়াছুড়ির পর কেউ কেউ আহতও হয়, রক্তপাতও হয় সেখানে৷

এই আহত ব্যক্তিরা তাদের রক্ত দিয়ে ‘মা কালী’-কে তিলক পরিয়ে পুজো করে থাকেন৷ তবে কেউ কেউ এই ঘটনাকে নিষ্ঠুরতার পরিচয় হিসাবে মনে করেন৷ তবে তা নিয়ে ওই গ্রামবাসীদের কোনও মাথা ব্যথার কারণ নেই৷ কেননা এই উৎসবকে তারা মনে করেন তাদের ঐতিহ্য৷ ঢামির প্রাসাদে অবস্থিত নারা সিং এবং কালী দেবী মন্দির থেকে দেবীর আগমনের পর স্থানীয়রা ঘাসের ঢালের উপর লাইন তৈরি করে পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে গ্রামবাসীদেরও পাথর ছুঁড়ে মারে৷

এই উৎসবকে কেন্দ্র করে ঢামি (দাগী, টার্ণু, কাত্তু ও জেরারু গ্রাম) এবং জামগি এলাকার বাসিন্দাদের পূর্ববর্তী রাজ পরিবারের প্রতিনিধিত্বকারী দু’টি দল রয়েছে৷ কথিত রয়েছে, একটা সময় ঢামির প্রাক্তন শাসকরা দেবীকে থামিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে এখানে৷ আর তার জন্য ‘মানব আত্মত্যাগ’-এর মতো ঘটনা ঘটে থাকে৷ আর এর থেকেই শুরু হয় ‘পাথর কা মেল’ প্রথাটি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।