মুম্বই- অন স্ক্রিন হোক বা অফ স্ক্রিন বলিউডের হিট জুটি দীপিকা পাডুকোন ও রণবীর সিং। ২০১৮-র নভেম্বরে লেক কোমোতে রাজকীয় কায়দায় বিয়ে করেছেন এই জুটি। প্রায় ৬ বছর সম্পর্কে থেকে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন তাঁরা। ২০১২ সালে রামলীলা ছবির শ্যুটিং থেকে আলাপ। তার পরে প্রেম। কাজের সূত্রে দিল্লী নিবাসী রণবীর ও বেঙ্গালুরু নিবাসী দীপিকা দুজনেই মুম্বইয়ে থাকতেন। কিন্তু সম্পর্কে থাকলেও এক বিয়ের আগে রণবীরের সঙ্গে এক ছাদের তলায় থাকেননি দীপিকা। এক শহরে থেকেও আলাদাই থেকেছেন। এই বিষয়ে এক মার্কিন ম্যাগাজিনের কাজে কথা বলেছেন দীপিকা।

দীপিকা বলছেন, আমাদের কাছে একসঙ্গে থাকার যথেষ্ট সুযোগ ছিল। কাজের জন্য আমাদের অনেক ঘুরতে হয়। চাইলেই একসঙ্গে ঘুরতে পারতাম। কিন্তু আমার কাছে বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। রণবীরের যদিও কোনও সমস্যা ছিল না। আমার যেটা ভাল লাগে ও সেটার সঙ্গেই মানিয়ে নেয়। কিন্তু আমি মনে করি, সব কাজের সঠিক সময় রয়েছে। আমি আমার বাবা-মাকেও দেখেছি এভাবেই থাকতে। তাই অন্যভাবে কিছু হোক আমি চাইনি।

বিয়ের আগে থেকেই এক ছাদের তলায় থাকলে নতুন করে আর কিছু জানার থাকে না। এমনই মনে করেন দীপিকা। এ বিষয়ে দীপিকা বলছেন, আমরা যদি আগে থেকেই থাকতে শুরু করে দিতাম, নতুন করে আর কি আবিষ্কার করতাম। আমি বলব, আমরা একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিয়ে নিয়ে অনেকেরই ভয় ও নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। তবে আমাদের অভিজ্ঞতা এমন নয়। আমরা বিয়ে নামক এই প্রতিষ্ঠানে বিশ্বাস করি। আর আমরা এর প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছি।

দীপিকা এক সময়ে মানসিক অবসাদে ভুগেছেন। সেই বিষয়েও ম্যাগাজিনের কাছে বিভিন্ন কথা প্রকাশ করেছেন তিনি। দীপিকা জানিয়েছেন অবসাদে ভোগার কথা প্রথম তিনি মাকে জানিয়েছিলেন। দীপিকা বলছেন, ২০১৪ সাল। আমি খুব কাঁদছিলাম। মা এসে জিজ্ঞাসা করল প্রেম-ঘটিত কোনও ব্যাপার নাকি কাজের জন্য। আমি বলেছিলাম, কোনওটাই নয়। আমি জানি না ভিতর থেকে কেন ফাঁকা লাগছে এত। মা তখন বলেছিল আমার এই বিষয়ে মনোবিদের সাহায্য দরকার। বিষয়টি মার সঙ্গে কোনও রকমের তর্ক হয়নি।

প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে মেঘনা গুলজার পরিচালিত ছপক ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত দীপিকা। ছবির শ্যুটিং শেষ হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও কপিল দেবের বায়োপিক ৮৩-তে অভিনয় করছেন তিনি। কপিল দেবের ভূমিকায় রয়েছেন রণবীর। রণবীরের বিপরীতেই দেখা যাবে দীপিকাকে।