১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধী হত্যার পর দেশজুড়ে শিখবিরোধী দাঙ্গা করার অভিযোগও উঠেছিল কমলনাথের বিরুদ্ধে ৷ সেই সময় দিল্লিতেও ৩০০০ শিখকে হত্যা করা হয়েছিল৷

অভিযোগ ওঠে রাকাবগঞ্জ গুরদুয়ারার বাইরে দুইজন শিখকে পুড়িয়ে মারার সময় সেখানে উপস্থিত চিলেন কমলনাথ৷ পরবর্তীকালে এনডিএ আমলে অটল বিহারি বাজপেয়ী নেতৃত্বাধীন সরকার ওই দাঙ্গা তদন্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নানাবতী অধীনে এক কমিশন গঠন করা হয়৷ তবে কমিশনের তদন্তে এই অভিযোগের বিষয়ে প্রমাণ মেলেনি৷ ফলে পুরোপুরি অব্যাহতি পান তিনি৷

পড়ুন: ক্ষমতা পেয়েই ফের নিজেকে পাপ্পু প্রমাণ রাহুলের

১৯৮০ সালে তিনি প্রথম সাংসদ হন কমলনাথ তবে তবে তার আগে রীতিমতো জড়িয়ে ছিলেন রাজনীতিতে৷ বিশেষ জরুরি অবস্থার সময় তিনিই ছিলেন সঞ্জয় গান্ধীর অন্তরঙ্গ গোষ্ঠীর একজন৷ ফলে সেই সময় সঞ্জয় গান্ধীর সঙ্গে অনেক বাড়াবাড়ি করার সঙ্গী ছিলেন তিনি৷

পড়ুন: ‘রাহুলের সাফল্যকে ছোট করে সংকীর্ণতার পরিচয় দিয়েছেন মমতা’

হাওলায় কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হওয়ার জন্য ১৯৯৬ সালের ভোটে তিনি কংগ্রেসের টিকিট পাননি৷ তবে সেবার তার জায়গায় তাঁর স্ত্রী অলকানাথকে ছিন্দওয়ালা কেন্দ্রের প্রার্থী করা হয়েছিল৷

২০০৭ সালে কমলনাথ বাণিজ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতাশীল মন্ত্রিগোষ্ঠী (যাতে প্রণব মুখোপাধ্যায় এবং শারদ পাওয়ার ছিলেন) সহায়তা করেছিলেন অ-বাসমতি চালের রফতানির নিষেধাঙ্গা তুলে নেওয়ার৷ সেখানে অভিযোগ ওঠে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি আফ্রিকায় চাল রফতানি করার ক্ষেত্রে আউট সোর্সিং করে দিয়েছে বেসরকারি সংস্থার কাছে৷

পড়ুন: ‘কংগ্রেসেই মরব’ বলেও মমতাকে এড়িয়ে গেলেন ডালু-মৌসম

তারফলে লাভের গুড় কেড়ে নিচ্ছে বেসরকারি সংস্থাগুলি আর সামান্য মার্জিন পাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি৷
কমলনাথের সঙ্গে এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে ৷ কানপুরে জন্ম হলেও এবং দুন স্কুলে প্রাক্তনী হলেও তিনি কলকাতা সেন্ট জেভিয়ার্স কলেঝের ছাত্র ছিলেন৷ তিনি সেখান থেকে বি কম পাশ করেন৷ তাছাড়া তাদের পরিবাবের সংস্থা একটি সংস্থা হল ইএমসি৷ যার কারখানা ছিল কলকাতায়৷

1 COMMENT

  1. কংগ্রেসের এক কাল্সাপকেই আমরা আবার মুখ্য মন্ত্রী করছিনাতো ?

Comments are closed.