রায়গঞ্জ: রাজ্যে বিজেপি বিধায়কের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের ঘটনা। রহস্যজনকভাবে দপকানের বারান্দা থেকে উদ্ধার হল তাঁর ঝুলন্ত দেহ। খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।

বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়কে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পুলিশের।

কয়েকদিন আগেই সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন দেবেন্দ্রবাবু। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে, কারা তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেননি ওই বিধায়ক। এমনটাই দাবি, বিধায়কের ভাইপোর।

এরপর সোমবার সকালে, বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি বন্ধ দোকানের বারান্দা থেকে উদ্ধার হয় ঝুলন্ত দেহ। এর আগেও তাঁকে দুষ্কৃতীরা টার্গেট করেছিল বলে দাবি পরিবারের আরও এক সদস্যের।

উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের সুদর্শনপুরের বাসিন্দা তিনি। রবিবার সন্ধেয় বিন্দোলের বালিয়ার আদি বাড়িতে ফিরেছিলেন। পরিবারের দাবি, রাত একটা নাগাদ বেশ কয়েকজন যুবক তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর রাতভর তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

সোমবার সকাল থেকেই খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। এরপর বিধায়কের আদি বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে পৌঁছন স্থানীয়রা। বন্ধ চায়ের দোকানের সামনে বিধায়কের হাত বাঁধা অবস্থা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশকর্মীরা। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতে পরপর তিনবার সিপিএমের প্রধান ছিলেন তিনি। ২০১৬সালে বিধানসভা নির্বাচনে হেমতাবাদ কেন্দ্র থেকে সিপিএমের টিকিটে জয়ী হন। সমবায় সমিতি গড়ে গ্রামের প্রচুর মানুষকে আর্থিক সাহায্য করতেন। তারপর অবশ্য ২০১৯ সালে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।

বিধায়কের স্ত্রী তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান চাঁদিমা রায়ের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে দেবেন্দ্রনাথ রায়কে। মৃত্যুর প্রকৃত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন রায়গঞ্জের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ