স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুর তদন্ত নিয়ে এবার কেন্দ্র ও রাজ্যকে নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। ওই নোটিশের পরই সিবিআই তদন্তের সম্ভবনা জোরালো হল বলে মনে করছেন মৃত বিধায়কের পরিবার। হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত করুক সিবিআই। মৃতের পরিবার থেকে রাজ্য বিজেপি— সকলেই তাই চেয়েছিলেন।

গত মাসে সেই আর্জি খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা তথা সিআইডি’র হাতেই তদন্তভার দেয় হাইকোর্ট। পরে সিবিআই তদন্ত চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়েছিলেন বিজেপির সাংসদরাও। বুধবার এ ব্যাপারে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে নির্দিষ্ট নোটিশও পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। এতেই আশার আলো দেখছে বিজেপি ও মৃতের পরিবার।

গত ১৩ জুলাই সকালে বাড়ি থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে চায়ের দোকানে হাত বাঁধা অবস্থায় বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বিধায়কের পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। মৃত বিধায়কের ময়না তদন্তের যে প্রাথমিক রিপোর্ট দেখা গিয়েছে গলায় ফাঁস লেগে শ্বাসরোধেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এলাকায় সিপিএমের দীর্ঘদিনের লড়াকু নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন দেবেন্দ্র রায়। ২০১৬ সালে বাম প্রার্থী হিসেবে কংগ্রেসের সমর্থনে উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদ বিধানসভাকেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০১৯ সালে বিধানসভা ভোটের আগে আচমকাই সিপিএমে ছেড়ে যোগ দেন বিজেপিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।