ভোপাল: সুমিত্রা মহাজনের পর হেমন্ত কারকারে ইস্যুতে আরও এক বিজেপি নেতাকে পাশে পেলেন সাধ্বী প্রজ্ঞা৷ রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ রঘুনন্দন শর্মা মহারাষ্ট্রের এটিএস প্রধান শহিদ হেমন্ত কারকারের বিরুদ্ধে সাধ্বীর সঙ্গে অমানবিক ব্যবহারের অভিযোগ তুলে বিতর্কে জড়ালেন৷

রঘুনন্দন শর্মার বক্তব্য, প্রত্যেক ব্যক্তির তাঁর সঙ্গে হওয়া অমানুষিক অত্যাচার নিয়ে অভিযোগ করতেই পারে৷ এটা তাঁর মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে৷ তাই কোনও মহিলা বিশেষ করে তিনি যদি কোনও সন্ন্যাসিনী হন তাঁর সঙ্গে যদি এমন বর্বরোচিত, অমানুষিক ও পশুর মতো আচরণ করা হয় সেই কাজের নিন্দা অবশ্যই করা উচিত৷ তা সেই ব্যক্তি যতই মহান কাজ করুক না কেন তার ভূমিকা প্রশ্নের উর্ধ্বে নয়৷

মুম্বই হামলার সময় জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হন হেমন্ত কারকারে৷ সেই কথা মাথায় রেখেও রঘুনন্দন শর্মার মন্তব্য, অবশ্যই এর জন্য তাঁর প্রশংসা ও শ্রদ্ধা প্রাপ্য৷ কিন্তু এক নিরীহ মানুষকে অত্যাচার করাটাও ঠিক নয়৷ সাধ্বীর প্রজ্ঞার পাশে দাঁড়িয়ে রঘুনন্দন শর্মার প্রশ্ন, স্বাধীন দেশে কেউ কী তাঁর যন্ত্রণার কথাও তুলে ধরতে পারে না?

দু’দিন আগে লোকসভার বিদায়ী স্পিকার সুমিত্রা মহাজনও সাধ্বীর পাশে এসে দাঁড়ান৷ তাঁর কথায়, ‘‘কারকারের বিষয়ে দুটি দিক রয়েছে , এক তাঁর মৃত্যু হয়েছিল জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে কিন্তু তাঁর সম্পর্কে অন্য দিকটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ৷ তিনি যখন এটিএস-এর প্রধান তখনই বলেছিলাম, তিনি ও কংগ্রেস নেতা দিগবিজয় সিং বন্ধু এবং তিনি ওই কংগ্রেস নেতা নির্দেশেই কাজ করতেন ৷ যখন আমি ইন্দোরের সাংসদ তখন মালেগাঁও মামলার অভিযুক্ত করে আমার কেন্দ্রের চার পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল৷ সেই সময় আমাদের এক কর্মীর ছেলে দিলীপ পতিদারকে গ্রেফতার করে এটিএস-এর হেফাজতে রাখা হয়৷ তারপর সে আর বাড়ি ফেরেনি৷ এটিএস দাবি করে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল৷’’