লখনউ: মথুরা থেকে ফের বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন হেমা মালিনী৷ আগামী ১১ এপ্রিল এই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ৷ আর সোমবার প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন৷ এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে মন্দিরে যান বিজেপি প্রার্থী৷ নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো পাঠ সেরে মনোনয়ন জমা দেন হেমা৷

ভোটের সময় প্রার্থীদের মধ্যে মন্দির যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়৷ প্রতিটা পদক্ষেপ নেন মেপে ও সতর্কতার সঙ্গে৷ রাজনীতিকদের অনেকের বিশ্বাস শুভ কাজের জন্য ভগবানের আর্শীবাদ নিলে কাজ মঙ্গল হয়৷ ৭০ বছরের হেমা সেই বিশ্বাসেই মন্দিরে যান৷ সঙ্গে যান উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ৷ ছবিতে দেখা গিয়েছে, পুরোহিত যা বলছেন অক্ষরে অক্ষরে তা পালন করছেন বিজেপির এই হেভিওয়েট নেত্রী৷

২০১৪ সালের পর দ্বিতীয়বার মথুরা কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে লড়বেন হেমা৷ গত নির্বাচনে তিনি রাষ্ট্রীয় লোক দলের জয়ন্ত চৌধুরীকে হারিয়েছিলেন৷ এবার শোনা যাচ্ছিল হেমাকে ফতেপুর সিক্রি কেন্দ্রের প্রার্থী করা হতে পারে৷ কিন্তু হেমা দলকে বোঝান তিনি কৃষ্ণের জন্মস্থান থেকেই প্রার্থী হতে চান৷ তাঁর নাম এই কেন্দ্রের জন্য ঘোষণা হওয়ার পর হেমা বলেন, ‘‘মানুষ চেয়েছিল আমি এই কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়াই৷ মোদীজি ও অমিতজি কে ধন্যবাদ ফের আমায় প্রার্থী করার জন্য৷ এবারও মথুরার উন্নয়নে কঠোর পরিশ্রম করব৷’’

হেমার বিপরীতে এবার প্রার্থী হচ্ছেন রাষ্ট্রীয় লোক দলের কুনওয়ার নরেন্দ্র সিং৷ মথুরার সঙ্গে তাঁরও পুরানো সম্পর্ক রয়েছে৷ অতীতে নরেন্দ্র সিংয়ের বড় ভাই এই কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.