নয়াদিল্লি: হেমা মালিনী ও সানি দেওল৷ দুজনেই এবার ভোটে জিতে সংসদে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন৷ কিন্তু সম্পর্কে মা ও ছেলে হলেও হেমা ও সানি গণতন্ত্রের পীঠস্থানে পাশাপাশি বসার সুযোগ পাবেন না৷

হেমা মালিনী এর আগেও সাংসদ হয়েছে বিজেপির টিকিটে৷ মথুরা থেকে ভোট লড়ে জিতেছিলেন৷ এবারও তাঁকেই মথুরা থেকে প্রার্থী করে গেরুয়া শিবির৷ জয় পেয়েছেন অনায়াসেই৷ অন্যদিকে, ভোটের ময়দানে নবীন অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর বড়ছেলে সানি৷ নির্বাচনের কিছু আগেই তাঁকে গুরুদাসপুর থেকে প্রার্থী করে মোদী-শাহ৷ পঞ্চাবে ক্যাপটেন অমরিন্দরের প্রভাব হটিয়ে জয় পান তিনিও৷

আরও পড়ুন: অনাবাসী মার্কিন ভারতীয়রা মজে মোদী ম্যাজিকে, বলছে সমীক্ষা রিপোর্ট

হেমা ও তাঁর সৎ ছেলে সানি দেওল কি সংসদে পাশাপাশি বসবেন? প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিনো দুনিয়ায়৷ কিন্তু সংসদে সাংসদরা কে কোথায় বসবেন তার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে৷ সেই নিয়মের কারণেই দুজনের আর পাশাপাশি বসা হবে না৷ জানা গিয়েছে সাংসদ হিসাবে অভিজ্ঞতার নিরিখে হেমা মালিনী অনেক দিন ধরে জিতে আসা বিজেপি সাংসদদের পিছনের সারিতে বসবেন৷ সানি আনকোড়া৷ তাই তাঁর স্থান হবে শাসক দলের সাংসদদের জন্য নির্ধারিত শেষ সারিতে৷

আরও পড়ুন: প্রচুর ছাড়ে বাজারে হাজির বিবেকের ‘মোদী সীতাফল কুলফি’

সংসদের নিয়ম হল, স্পিকারের ডান পাশের আসে বসবেন শাসক দলের সাংসদরা৷ যার প্রথম সারিতে প্রধানমন্ত্রী ও ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা বসেন৷ তারপর টানা বহু বছর ধরে জিতে আসা শাসক দল বা জোটের সাংসদরা৷ এরপরের আসনগুলি বন্টন করা হয় সাংসদের অভিজ্ঞতার নিরিখে৷ একেবারে শেষ সারি নির্ধারিত হয় প্রথমবারের সাংসদদের জন্য৷ স্পিকারে বাঁদিকে বসেন বিরোধী শিবিরের সাংসদরা৷

হেমা ও সানি সেলিব্রেটি৷ তাই তাদের নিয়ে উৎসাহ কম নয়৷ একই সঙ্গে এবার ভোটে জিতে সাংসদ হচ্ছেন, বাংলার মিমি, নুসরত, সঙ্গীত শিল্পী হংসরাজ হংস, ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর, সাধ্বী প্রজ্ঞারা৷ যাদের কাজ নিয়েও নিয়েও কৌতুহলী নজর থাকবে৷