মথুরা: মথুরার সাংসদ তিনি৷ হাতে গুনে বলা যায় কটাদিন নিজের কেন্দ্রে এসেছেন, বা আসলেও কতটা উন্নয়নে মন দিয়েছেন৷

তাতে কী? তিনি হেমা মালিনি, বলিউডের ড্রিম গার্ল,বলতে চাইলে সবই বলতে পারেন৷ তাই বলেই ফেললেন-‘মিনিটে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারি, ইচ্ছে নেই কোনও গুরু দায়িত্ব নেওয়ার, নিজের কাজ স্বাধীন ভাবে করতে চাই, তাই মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছে নেই৷ ’ মথুরায় এক জন সমাবেশে এই দাবি করলেন ড্রিম গার্ল৷

পড়ুন: মহিলার বিরুদ্ধে ফতোয়া দেওয়ায় ইমামের নামে FIR

জন সমাবেশে করতালির জোয়ার৷ সাংসদ হেমা মালিনি আরও জোরে বলে উঠলেন, ‘ আমি রাজনীতির সূত্রে নয় বরং আমার বলিউড পরিচয় নিয়েই সাংসদ হয়েছি৷ মানুষের ভালোবাসা আমায় সাংসদ বানিয়েছে৷ মথুরার জন্য কাজ করতে পেরে আমি খুব খুশি৷ ’ মথুরা নগরী তাঁর পছন্দের৷ মথুরাবাসীর সঙ্গে তাঁর আত্মিক টান৷ সমাবেশে খোশ মেজাজে বললেন হেমা৷ জানালেন, উন্নয়নের জন্য কাজ করেছেন, করবেনও৷ মথুরার জলের সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি৷

আরও পড়ুন- আবারও জামিন নাকচ হল বিজেপির জেলা সভাপতির

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে হেমা জানান, নরেন্দ্র মোদী দেশের সেবক বলেই নিজেকে পরিচয় দেন৷ সেই পথ ধরে তিনিও মানুষের সেবা করতে চান৷ আর সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রীর গুরু দায়িত্ব নিতে বিরত থাকেন৷ এদিনের সভায় মানুষের ঢল ছিল চোখে পড়ার মত৷ স্বপ্নের নায়িকার সমাবেশে মথুরাবাসী ছিল উৎসাহিত৷ তবে হেমা মালিনির মুখ্যমন্ত্রী না হওয়ার রহস্য যোগী আদিত্যনাথের কানে পৌঁছেছে কি না সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.