নিউজ ডেস্ক : ২৩ মে সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে লোকসভা ভোটের গণনা প্রক্রিয়া। দেশের বিভিন্ন কাউন্তিং স্টেশনে চলছে প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ। গোটা দেশের পাশাপাশি বাংলার ৪২ আসনেও ভোট গণনা চলছে। সকাল থেকে পাওয়া খবরে যে তথ্য সামনে এসেছিল তাতে দেখা গিয়েছিল, এ রাজ্যে বিজেপি কার্যত ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে শাসক দলের।

কংগ্রেস এই মুহূর্তে ২ টি আসন পেয়েছে। বামফ্রন্ট একটি ভোটও পায়নি বলেই জানা গিয়েছে গণনায়। দেখে নেওয়া যাক সকাল ১১ টা পর্যন্ত ৫ রাউনডের গণনায় এ রাজ্যে এগিয়ে রয়েছেন যে সমস্ত হেভিওয়েট প্রার্থীরা –

১) আসানসোলে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়
২) যাদবপুরে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী
৩) বীরভূমে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শতাব্দী রায়
৪) বসিরহাটে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নুসরত জাহান
৫) বহরমপুরে এগিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী
৬) শ্রীরামপুরে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়
৭) হাওড়ায় এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়
৮) কলকাতা উত্তরে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
৯) কাথিতে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শিশির অধিকারি
১০) হুগলীতে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়
১১) ঘাটালে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দীপক অধিকারি
১২) ডায়মন্ড হারবারে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে রয়েছেন, বাঁকুড়ার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং আসানসোলে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুনমুন সেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।